Discuss the modernization of Tripura from Birchandra Manikya to Bir Bikram Kishor Manikya.
বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।
ত্রিপুরায় আধুনিক যুগের সূচনা হয় মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্যের শাসনকালে। তিনি ব্রিটিশ ভারতের শাসন পদ্ধতির অনুকরণে ত্রিপুরার শাসন ব্যবস্থার সংস্কার করেণ এবং লিখিত আইন কানুন প্রনয়নের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে সুসংবদ্ধ ও সুসংগঠিত করেণ। মোটের উপর বীরচন্দ্রমানিক্য (১৮৬২-১৮৯৬ খ্রি:) তাঁর আমলে ত্রিপুরা রাজ্য এক নতুন রূপ লাভ করে।
১) মিউনিসিপ্যালিটি গঠন তিনি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করেন। তবে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা বিধানে কিংবা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসাবে দীর্ঘকাল কোনো কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি ছিল ব্যর্থ। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুলাই ডবলিউ. বি. পাওয়ার সাহেব ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম পলিটিক্যাল এজেন্ট নিযুক্ত হন।
২) বিচার সংক্রান্ত সংস্কার প্রাচীনকাল হতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি সংক্রান্ত বিচারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি মহারাজ স্বয়ং সম্পাদন করতেন। ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে এইসব মোকদ্দমার বিচারের জন্য মহারাজ ‘খাস আপিল আদালত' নামে একটি বিচারালয় স্থাপন করেন । ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে নীলমণিবাবুর উদ্যোগে রাজ্যে উকিল নিয়োগের জন্য পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়। ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে ‘পাহাড় আদালত' নামক বিচারালয়ের বিলোপ করা হয়। নীলমণি দাস দেওয়ানি ও ফৌজদারি সংক্রান্ত আইন সংশোধন, আইন প্রণয়ন এবং পুলিশ নির্দেশিকার প্রচলন করেন। এই সময়ে ব্রিটিশ ভারতের অনুকরণে রাজ্যে 'বাজেট' বা বার্ষিক আয়ব্যয়ের তালিকা প্রণয়নের প্রথা প্রথম চালু হয়।
৩) পোষ্ট অফিস স্থাপন ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে ভারতীয় ডাকবিভাগের পরিচালনাধীনে, ১ অক্টোবর ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে আগরতলায় প্রথম পোস্ট অফিস খোলা হয়। রাজ্যসরকারই এই পোস্ট অফিসের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করত।
৪) জনগণনা ব্রিটিশ ভারতের সঙ্গে ত্রিপুরার রাজ্যসরকারও ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম জনগণনার কাজে অংশগ্রহণ করে এবং পরে ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে তা পুনরায় অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় থেকেই প্রতি দশ বছর অন্ত ত্রিপুরার জনগণনার কাজ ব্রিটিশ ভারতের সঙ্গে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে থাকে।
৫) দাস প্রথা বিলুপ্তি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দাসপ্রথা প্রাচীনকাল হতে ত্রিপুরা রাজ্যে প্রচলিত ছিল। দেনার দায়ে বা আর্থিক সংকটকালে পার্বত্যবাসী উপজাতির লোকেরা দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ থাকত। এমনকি, দাস-দাসী ক্রয়বিক্রয়ের প্রথাও প্রচলিত ছিল। দাস শ্রেণির লোকের দাসত্বকালে মৃত্যু হলে কিংবা পালিয়ে গেলে তাদের সন্তান-সন্ততিরাও দাস বলে গণ্য হত। যাইহোক, বিষয়টি ভারতের ব্রিটিশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং ভারত সরকারের পরামর্শক্রমে ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে মহারাজার এক ঘোষণায় এই ঘৃণ্য দাসপ্রথার ঘটানো হয়।
৬) সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তি মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের রাজত্বকালের অপর উল্লেখযোগ্য প্রগতিশীল সংস্কার হল সতীদাহ প্রথার বিলুপ্তিসাধন। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর সহমরণে যাওয়ার প্রচলিত হিন্দুরীতিকে সতীদাহ প্রথা বলা হত। ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশশাসিত ভারতে এই জঘন্য প্রথার বিলুপ্তি ঘটলেও ত্রিপুরা রাজ্যে তা ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দের পূর্ব পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। অ্যাসিস্ট্যান্ট পলিটিকাল এজেন্ট রায় উমাকান্ত দাস বাহাদুর এ বিষয়ে বেঙ্গল গভর্নমেন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল গভর্নমেন্টের পরামর্শক্রমে মহারাজার এক ঘোষণায় ত্রিপুরা রাজ্যে সতীদাহপ্রথার বিলুপ্তি ঘটে।
৭) বাংলা ভাষার উন্নতি মহারাজা বীরচন্দ্র বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতি বিধানেও সচেষ্ট ছিলেন। নিজে একাধিক কাব্যগ্রন্থ রচনা ছাড়াও কিশোর রবীন্দ্রনাথকে কবি সম্মানে ভূষিত করা বীরচন্দ্র মাণিক্যের কাব্যপ্রীতির পরিচায়ক। তাঁর দরবারে বহু, পন্ডিত, সংগীতজ্ঞ ও শিল্পী সমাদৃত ছিলেন। প্রশাসনিক কাজে বাংলা ভাষার ব্যাপক ব্যবহারেও তিনি সচেষ্ট ছিলেন। ৮) শিক্ষার উন্নতি :- মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যের রাজত্বকালে রায় উমাকান্ত দাস বাহাদুরের উদ্যোগে ও যুবরাজ বাহাদুরের উৎসাহে স্থানীয় ‘ইংরেজি বঙ্গ বিদ্যালয়' কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ হাইস্কুলে পরিণত হয়। রাধাকিশোর মাণিক্যের শাসনকালে সুন্দর অট্টালিকা নির্মাণ করে ওই বিদ্যালয়টিকে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং উমাকান্তবাবুর নামে উমাকান্ত একাডেমি' নামকরণ করা হয়।
রাধাকিশোর মানিক্য (১৮৯৬-১৯০৯ খ্রি:)
১) রাজধানীর আধুনিকীকরণ বীরচন্দ্র মাণিক্য ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে পরলোকগমন করলে তাঁর সুযোগ্য পুত্র যুবরাজ রাধাকিশোর মাণিক্য বাহাদুর সিংহাসনে আরোহণ করেন। ওই সময় তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৪০ বছর। আগরতলা শহরের আধুনিক রূপ অনেকটা তাঁরই আমলে দেওয়া শুরু হয়েছিল। উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ নির্মাণ করে তিনি রাজধানীর গরিমা ও রাজসিংহাসনের গাম্ভীর্য বৃদ্ধি করেছিলেন। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে ১২ জুন ভয়ংকর ভূমিকম্পে পুরোনো রাজপ্রাসাদের মারাত্মক ক্ষতি হলে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে এই নতুন উজ্জয়ন্ত প্রাসাদের নির্মাণকার্য শুরু হয়েছিল। শ্রীশ্রীজগন্নাথ মন্দির, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হাসপাতাল (বর্তমান ইন্দিরা গান্ধি হাসপাতাল), উমাকান্ত একাডেমি প্রভৃতি সুশোভন ইমারতে রাজধানী শোভিত করেন। তাঁর রাজত্বকালেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের প্রথম রাজধানী আগরতলায় শুভ পদার্পণ ঘটেছিল (১৯০০ খ্রিঃ)।
২) শিক্ষার উন্নয়ন শিক্ষার উন্নয়নকল্পে তিনি শিক্ষা খাতে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। নতুন হাইস্কুল, একটি সংস্কৃত টোল, কয়েকটি বালিকা বিদ্যালয় ও প্রাথমিক স্কুল রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠা করেন। তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়টি তাঁর মহিষীর নামে নামকরণ করা হয়। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে ঠাকুর পরিবারের এবং রাজপরিবারের ছেলেদের জন্য অবৈতনিক বোর্ডিং- -স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে রাজ্যে একটি কলেজ (সেকেন্ড গ্রেড) স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের আপত্তিতে তা অচিরেই বন্ধ হয়ে যায়। নানা প্রকার কুটিরশিল্পের ও হস্তশিল্পের উৎপাদনের অভিপ্রায়ে একটি টেকনিক্যাল স্কুলও তাঁর আমলে স্থাপিত হয়েছিল।
৩) প্রশাসনিক পুনর্গঠন রাধাকিশোর মাণিক্যের আমলে প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল রাজস্ব ও পুলিশ বিভাগের পৃথকীকরণ এবং রাজস্ব বিভাগের কর্মীদের পুলিশের কাজ থেকে অব্যাহতি প্রদান। রাজ্য ও জমিদারির যথাযথ জরিপের ব্যবস্থা করায় এবং ব্যাপক ভূমিসংস্কারের ফলে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ে। পুলিশ বিভাগের সংস্কার করে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে থানা ও তহশিল স্থাপন করেন। তা ছাড়া, তিনি ডাকবিভাগের উন্নতি, বিধান ও নতুন নতুন ডাকঘর স্থাপন করেন। কৃষির উন্নতির জন্য আদর্শ কৃষিক্ষেত্র স্থাপন করেন। গুটিপোকার চাষ, বিভিন্ন কুটিরশিল্প এবং তাঁতশিল্পের উন্নতিতে যত্নবান হন।
৪) মন্ত্রীপদের বিলুপ্তি তাঁর আমলে প্রথমে মন্ত্রীপদ বিলুপ্ত করে দেওয়ান ও বিভাগীয় কার্যকারদের সাহায্যে শাসন পরিচালিত হয়। পরে তাঁর সভাপতিত্বে গঠিত হয় এক কার্যনির্বাহক সভা। ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো অনুসৃত হলেও উজির, নাজির, সুবা প্রভৃতি পদ বিলুপ্ত হয়নি। বিংশ শতকের গোড়ার দিকে কার্যনির্বাহক সভার বদলে আবার মন্ত্রী ও উজিরের উপর প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়। কারাগার ও কারাবাসীদের নিয়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অবসানকল্পে তিনি প্রয়োজনীয় সংস্কারের নির্দেশ দেন।
বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য (১৯২৮-১৯৪৭ খ্রি:)
১৯২৩ খ্রীঃ বীরেন্দ্রকিশোরের মৃত্যু হলে তাঁর পুত্র যুবরাজ বীরবিক্রম কিশোর পিতার সিংহাসনের অধিকারী হন। ১৯২৮ খ্রীঃ ২৯শে জানুয়ারি শাস্ত্রীয় বিধি অনুযায়ী মহাসমারোহে তাঁর রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন হয়।
১) পরিকল্পিত শহরের পরিকল্পনা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নতি বিধানের জন্য বিশেষভাবে সচেষ্ট ছিলেন। তিনি কৃষির উন্নতির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেন। পার্বত্য প্রজাদের জুম চাষের পরিবর্তে হাল চাষে উৎসাহিত করেন। এজন্য কিছুটা জমি সংরক্ষিত রাখা হয়। মৌখিকভাবে জমি ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। আগরতলা বিমান বন্দরটি তাঁর আমলেই স্থাপিত হয়। আগরতলাকে পরিকল্পিত শহর হিসাবে গড়ে তোলার জন্য সরকারি অনুমোদন ছাড়া যেখানে সেখানে পাকাবাড়ি নির্মাণ নিষিদ্ধ করা হয়। গ্রামের উন্নয়নের ভার গ্রামগুলির উপর ন্যস্ত করা হয়।
২) ব্যাংক স্থাপন আগরতলার ট্রেজারিতে ব্যাংক স্থাপন ছাড়াও আর্থিক লেনদেনের সুবিধার্থে ১৯৩৫ খ্রীঃ ‘ত্রিপুরা স্টেট ব্যাংক' স্থাপিত হয়।
৩) শিক্ষার উন্নয়ন বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য ‘বিদ্যাপত্তন' নামে একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে আগরতলায় একটি গ্রামীণ বিশ্ব-বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি 'বিদ্যাপত্তন'-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী ত্রিপুরায় এমন একটি গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে চেয়েছিলেন যার অধীনে থাকবে সাধারণ ডিগ্রি কলেজ, মেডিকেল কলেজ, কৃষি, চারুকলা ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। এরজন্য শহরের পূর্ব প্রান্তে কলেজটিলায় জমিও নির্দিষ্ট করা হয়। তার মৃত্যুর এই পরিকল্পনার আংশিক রূপদান করা হয় মহারাজা বীরবিক্রম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
৪) হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ১৯৪১ খ্রীঃ ঢাকা জেলার রায়পুরায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বিপন্ন মানুষ দলে দলে ত্রিপুরায় আগমন করলে বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য তাদের আশ্রয় দেন ও নানাভাবে সাহায্য করেন. ১৯৪৬ খ্রীঃ নোয়াখালির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্কগ্রস্ত হিন্দুরা উদবাস্তু হয়ে ত্রিপুরায় এলে তাদেরও আশ্রয় দেওয়া হয়। সাম্প্রদায়িক প্রীতি অক্ষুন্ন রাখার জন্য সদরে উপযুক্ত হিন্দু ও মুসলমান সদস্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিবিধায়ক সমিতি ১৯৪১ খ্রীঃ গঠিত হয়।
৫) প্রশাসনিক উন্নতি বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য এক ঘোষণা অনুযায়ী ‘ত্রিপুরা রাজ্যের শাসনতন্ত্র' বা ১৩৫১ খ্রীঃ ১ আইন নামে এক শাসনতন্ত্র রচিত হয়। এতে স্থির হয় যে, প্রিভি কাউন্সিল মন্ত্রনা সভা হিসাবে শাসন ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে রাজাকে উপদেশ দেবে। খাস আদালত বা হাইকোর্টের উন্নতি সাধন করা হয়।
৬) ঐতিহাসিক স্থানের সূচনা তিনি ছিলেন একজন সঙ্গীতজ্ঞ। এবং অনেক সঙ্গীত রচনা করেন। ‘জয়াবতী' নামে এক ঐতিহাসিক নাটক রচনা করেন। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে আগরতলার বেনুবন বিহার, মেলাঘরের রুদ্রসাগর নামক হ্রদে নীরমহল নামক প্রাসাদ তৈরী করেন।
১৯৪৭ খ্রীঃ ১৭ই মে মাত্র ঊনচল্লিশ বৎসর বয়সে মহারাজার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি ত্রিপুরা রাজ্যকে ভারত যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন