How did Tripura Join as a State of Independent India? ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ? ভূমিকা ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে ত্রিপুরার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর ৩৯ বছর বয়সে পরলোক গমন করলে তার পুত্র কিরীট বিক্রম কিশোর দেববর্মন মানিক্য বাহাদুর ত্রিপুরা রাজ্য ও চাকলা রোশনাবাদের জমিদারি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হন। তিনি নাবালক থাকায় ভারত সরকারের পরামর্শ অনুযায়ি রাজমাতা মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবীর নেতৃত্বে রাজপ্রতিনিধি শাসন পরিষদ বা কাউন্সিল অব রিজেন্সি গঠিত হয়। মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবী এই পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং রাজকুমার ব্রজেন্দ্র কিশোর দেববর্মন বাহাদুর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। মেজর বঙ্কিম বিহারী দেববর্মন ও মন্ত্রী রাজরত্ন সত্যব্রত মুখার্জি এই পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হন। (২) পাকিস্তানের ত্রিপুরা আক্রমনের ষড়যন্ত্র ভারত স্বাধীনতা লাভের অল্পদিনের পরেই ত্রিপুরা রাজ্য এক গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন হয়। ত্রিপুরা সীমান্তস্থিত কুমিল্লার মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের উদ্যোগে ও আগরতলার কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় পাকিস্তান ত্রিপুরা আক্রমনের পরিকল্পনা করে। ত্রিপুরার রা...
দ্বিজেন্দ্রলালের নাটকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যে তাঁর ভূমিকা কী, তা বুঝিয়ে দাও ।
উত্তর: দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩) একাধারে কবি ও নাটককার। তাঁর নাটকগুলিকে আমরা নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করে আলোচনা করতে পারি—
→ হাস্যরসাত্মক প্রহসন : দ্বিজেন্দ্রলালের প্রহসনধর্মী নাটকের মধ্যে ‘কল্কি অবতার' (১৮৯৫), ‘বিরহ' (১৮৯৭), 'ব্রহস্পর্শ' (১৯০০), 'পুনর্জন্ম' (১৯১১) প্রভৃতি প্রধান। এই নাটকগুলিতে দ্বিজেন্দ্রলাল তৎকালীন সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করেছেন। নাটকের চরিত্রগুলি রঙ্গ-কৌতুকপূর্ণ এবং বেশ উপভোগ্য। চরিত্রগুলির মধ্যে নিছক ভাঁড়ামি নেই।
পৌরাণিক নাটক : দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পৌরাণিক নাটকের মধ্যে ‘পাষাণী' (১৯০০), ‘সীতা (১৯০৮), ‘ভীষ্ম' (১৯১৪) প্রভৃতি প্রধান। এই নাটকগুলি আধুনিক ভাববৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্রতায় নতুনভাবে উপস্থিত হয়েছে।
ঐতিহাসিক নাটক : তাঁর পৌরাণিক নাটকের মধ্যে 'মেবার পতন' (১৯০৮), 'নূরজাহান' (১৯০৮), 'সাজাহান' (১৯০৯) ‘চন্দ্রগুপ্ত” (১৯১১) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এই নাটকগুলিতে তিনি ইতিহাসের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন। তিনি শুধু ইতিহাসের চরিত্রকে চিত্রিত করেননি, চরিত্রগুলির মধ্যে মানবচরিত্রের সাধারণ সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনাকেও জায়গা দিয়েছেন।
সামাজিক নাটক : দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'পরপারে' (১৯১২), 'বঙ্গনারী' (১৯১৬) ইত্যাদি নাটকগুলিতে সমকালীন
সামাজিক জীবনের ছবি আছে। নাটকগুলি উত্তেজক ঘটনায় পূর্ণ বলে সেসময় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। > নাট্যসাহিত্যে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ভূমিকা : ইউরোপীয় নাটকের ধারা অনুসরণ করে দ্বিজেন্দ্রলাল বাংলা নাট্যসাহিত্যের প্রাঙ্গণে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। পুরাণের ভক্তিতারল্য থেকে মুক্ত করে বাংলা নাটককে নতুন পথে তিনি পরিচালিত করতে চেয়েছিলেন। নাট্যরস সৃষ্টির পাশাপাশি মঞ্চসফলতার দিকটিকেও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
দ্বিজেন্দ্রলাল নাটক রচনা করতে গিয়ে কখনোই সাহিত্যিক সৃষ্টি হারিয়ে ফেলেননি। গিরিশচন্দ্রের যুগের রঙ্গালয়ের নাটক অভিজাত সাহিত্য থেকে অনেক দূরে ছিল। দ্বিজেন্দ্রলাল সেই দূরত্ব ঘোচানোর প্রয়াস গ্রহণ করেছিলেন।
.png)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন