সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দ্বাদশ শ্রেণী লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ?

 How did Tripura Join as a State of Independent India? ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ? ভূমিকা ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে ত্রিপুরার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর ৩৯ বছর বয়সে পরলোক গমন করলে তার পুত্র কিরীট বিক্রম কিশোর দেববর্মন মানিক্য বাহাদুর ত্রিপুরা রাজ্য ও চাকলা রোশনাবাদের জমিদারি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হন। তিনি নাবালক থাকায় ভারত সরকারের পরামর্শ অনুযায়ি রাজমাতা মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবীর নেতৃত্বে রাজপ্রতিনিধি শাসন পরিষদ বা কাউন্সিল অব রিজেন্সি গঠিত হয়। মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবী এই পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং রাজকুমার ব্রজেন্দ্র কিশোর দেববর্মন বাহাদুর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। মেজর বঙ্কিম বিহারী দেববর্মন ও মন্ত্রী রাজরত্ন সত্যব্রত মুখার্জি এই পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হন। (২) পাকিস্তানের ত্রিপুরা আক্রমনের ষড়যন্ত্র ভারত স্বাধীনতা লাভের অল্পদিনের পরেই ত্রিপুরা রাজ্য এক গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন হয়। ত্রিপুরা সীমান্তস্থিত কুমিল্লার মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের উদ্যোগে ও আগরতলার কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় পাকিস্তান ত্রিপুরা আক্রমনের পরিকল্পনা করে। ত্রিপুরার রা...

‘সবুজের অভিযান' কবিতাটি কার, কোন্ কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে ?

সবুজের অভিযান' কবিতায় প্রশ্ন উত্তর 1 mark ২০ questions ১. ‘সবুজের অভিযান' কবিতাটি কার, কোন্ কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে ? উত্তর: ‘সবুজের অভিযান' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। ২. “বিবাগি কার অবাধপানে, ” –কাকে বিবাগি করতে বলা হয়েছে ? উত্তর: কবি প্রযুক্ত ও অবাধ্য নবীনদেরকে সমস্ত ধরনের সংকীর্ণতা থেকে তাদের মনকে বিবাগি করতে বলেছেন। ৩. “অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী!”—কী আনার কথা বলা হয়েছে ? উত্তর: সমস্ত পাপ-তাপ-বেদনা ও বিচ্ছেদব্যথাকে পৃথিবীতে আনার কথা বলা হয়েছে । ৪. “যুদ্ধ কেন ?' কবিতাটি কোন্ মহাযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা ? উত্তর: ‘যুদ্ধ কেন?” কবিতাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। ৫. অঙ্কুরিত বীজ কার ডাকে সন্দিগ্ধ চোখ মেলেছে ? উত্তর: অঙ্কুরিত বীজ আকাশের ডাকে তার সন্দিগ্ধ চোখ মেলেছে।  ৬. কিশলয়কে কীভাবে সকলে সংবর্ধনা জানাবে ? উত্তর: জয়ধ্বনি দিয়ে সকলে কিশলয়কে সংবর্ধনা জানাবে। ৭. “তাহাকেই তিনি রূপের মধ্যে প্রকাশ করার চেষ্টা করেন।” –কে, কাকে রূপের মধ্যে প্রকাশ করার চেষ্টা করেন ?  উত্তর: কবি তার অন্তর্দৃষ্টি...

সবুজের অভিযান' কবিতা প্রশ্ন উত্তর 1 mark ২০ questions

সবুজের অভিযান' কবিতায় প্রশ্ন উত্তর 1 mark ২০ questions   ১. ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় ‘পাকা' ও 'কাঁচা' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? উত্তর: ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় 'পাকা' বলতে জরাগ্রস্ত প্রবীণদের আর 'কাঁচা' বলতে যৌবন পথের পথিক তরুণ সম্প্রদায়ের কথা বোঝানো হয়েছে। ২. যুদ্ধ কেন ?' কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ? উত্তর: ‘যুদ্ধ কেন?' কবিতাটি 'কাস্তে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ৩. ‘আগামী' কবিতায় কোন্ ঋতুতে বনস্পতির বীজ বৃহতের দলে মিশে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ?  উত্তর: আগামী বসন্ত ঋতুতে বনস্পতির বীজ বৃহতের দলে মিশে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে। ৪. পুরুষকে মানুষ করতে নারী কী দিল ? উত্তর: পুরুষকে মানুষ করতে নারী তার অর্ধেক হৃদয় ঋণস্বরূপ দান করল। ৫. ‘বিজ্ঞানের তাপ কী ? উত্তর: 'বিজ্ঞানের তাপ' বলতে কবি বিজ্ঞানের ধ্বংসাত্মক শক্তিকে বুঝিয়েছেন। ৬. “যদিও নগণ্য আমি”- বক্তা নিজেকে 'নগণ্য' বলেছেন কেন ?  উত্তর: সদ্যোজাত অঙ্কুরিত বীজটি আকৃতিতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং বাহ্যজগৎ সম্পর্কে অনভিজ্ঞ বলে বৃহৎ বটবৃক্ষ সমাজে নিজেকে 'নগণ্য ...

‘সবুজের অভিযান' কবিতায় কবি কাকে আহ্বান জানিয়েছেন ?

class 12 question answer bengali ১. ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় কবি কাকে আহ্বান জানিয়েছেন ? উত্তর: ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় কবি সমাজের তরুণ সম্প্রদায়, যাদের তিনি ‘নবীন’, ‘কাঁচা’, ‘অবুঝ’, ‘সবুজ’ ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন, তাদের আহ্বান জানিয়েছেন। ২. “আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।”—‘আধমরা' বলতে কবি কাদের বুঝিয়েছেন ? উত্তর: ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় কবি 'আধমরা বলতে প্রবীণদের রক্ষণশীলতা, ভয় ও বদ্ধ সংস্কারকে বুঝিয়েছেন। ৩. “সেদিন ছায়ায় এসো।” –কোন্ দিনের কথা বলা হয়েছে ? উত্তর: অঙ্কুরিত বীজ যেদিন শাখা প্রশাখায়, ফুলে পল্লবে সমৃদ্ধ হয়ে মহীরূহরূপে আত্মপ্রকাশ করবে, সেই দিনের কথা এখানে বলা হয়েছে। ৪. “যুগের ধর্ম এই” – যুগের ধর্ম কী ? উত্তর: যুগের ধর্ম হল অপরকে পীড়ন করলে সে-পীড়ন নিজের কাছেই ফিরে আসবে। ৫. 'কিরঘিজ স্টেপিস' কী ? উত্তর: ইউরেশিয়ান স্টেপস তৃণভূমির একটি অংশ হল— ‘কিরঘিজ স্টেপিস', যা বর্তমানে রাশিয়ায় অবস্থিত। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই তৃণভূমির উক্ত নামকরণ করা হয়। ৬. 'আগামী' কবিতাটি কবির কোন্ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত ?  উত্তর: 'আগামী...

সবুজের অভিযান' কবিতায় প্রশ্ন উত্তর 1 mark ২০ questions

সবুজের অভিযান' কবিতায় প্রশ্ন উত্তর 1 mark ২০ questions   ১. ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় কার ঝোলাঝুলি ঝেড়ে ভুলগুলি আনতে বলা হয়েছে ?  উত্তর: ‘সবুজের অভিযান' কবিতায় ভোলানাথের ঝোলাঝুলি ঝেড়ে ভুলগুলি আনতে বলা হয়েছে। ২. “সেই সুযোগে ঘুমের থেকে জেগে”—কীসের সঙ্গে কীসের লড়াই হবে ? উত্তর: সত্যের সঙ্গে মিথ্যার লড়াই হবে। ৩. ‘আদি-পাপ' কে করেছে ? উত্তর: আদি পাপ নর শয়তান করেছে। ৪. “আজকে আমার প্রশ্ন, ”—প্রশ্নটি কী ?  উত্তর: বারংবার বর্বর যুদ্ধের এই অভিনয় হবে কেন? এটিই কবির প্রশ্ন । ৫. ‘যুদ্ধ কেন ?' কবিতায় শেষ পঙ্ক্তিতে কবি কীসের আলো তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন ? উত্তর: কবি কল্যাণকারী মানবসেবার সহায়ক আলোকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। ৬. কার শিকড়ে অরণ্যের বিশাল চেতনা ? উত্তর: অঙ্কুরিত বীজের শিকড়ে অরণ্যের বিশাল চেতনা । ৭. কে পথকে উপেক্ষা করেন না ? উত্তর: বৈজ্ঞানিক পথকে উপেক্ষা করেন না । ৮. সকল পথই যেখানে একত্র মিলেছে সেখানে কীসের সন্ধান মেলে ? উত্তরঃ সকল পথই যেখানে একত্র মিলেছে সেখানে পূর্ণ সত্যের ৯. “তুই বড়ো অপয়া !”—কাকে অপয়া বলা হয়েছে ? উত্তর: শ্রীকান্তকে অপয়া বলা হয়েছ...

বাংলা গদ্যের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।

  বাংলা গদ্যের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো। উত্তর: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশের শাসনভার গ্রহণ করবার পর বাংলাদেশে এক সমস্যার সামনে পড়েন। তাঁরা উপলব্ধি করেন, সুষ্ঠুভাবে রাজ্যশাসন-এর পাশাপাশি বাণিজ্যের প্রয়োজনেও তাঁদের কর্মচারীদের বাংলা ভাষা শেখার যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। এই উপলব্ধির কারণেই ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। বাংলা গদ্য ভাষা সৃষ্টির ক্ষেত্রে তো বটেই, এমনকি বাংলা সাহিত্যের গঠন-কাঠামোর সৌন্দর্যায়নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজে যিনি গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তিনি হলেন উইলিয়াম কেরি। বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গেই স্মর্তব্য। কারণ সেই সময় বাংলা গদ্য ভাষায় কোনো গ্রন্থ ছিল না এবং তিনি অনুভব করেছিলেন ইংরেজ সিভিলিয়ানদের শিক্ষাদানের মধ্য দিয়ে শাসনকার্য ও ব্যাবসার কাজে সহায়ক করে তুলতে সহজ গদ্যে রচিত গ্রন্থের অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই তিনি নিজেই দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা করেছিলেন, যার মধ্যে একটির নাম 'কথো...

বাংলা গদ্য ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।

  বাংলা গদ্য ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।  উত্তর: বাংলার মাটিতে আবির্ভূত কীর্তিমান বাঙালিদের মধ্যে ঊনবিংশ শতকের অন্যতম মনীষী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । কী সাহিত্যে, কী সমাজসংস্কারে, কী মানবিকতাবোধে—সর্বত্র তিনি বিজয়পতাকা উড়িয়েছেন। বাংলা গদ্যসাহিত্যে বিদ্যাসাগরের অবদান পরিমাপ করতে গেলে প্রয়োজন তাঁর সাহিত্যকীর্তির যথাযথ পরিচয়লাভ। মনে রাখতে হবে, বাংলা গদ্যসাহিত্য বিদ্যাসাগরের পূর্বেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আঙিনায় চর্চিত হয়েছে। রামমোহনের লেখনীতে প্রবর্তিত হয়েছে বাংলা গদ্যের নবধারা। তা সত্ত্বেও বিদ্যাসাগরের হাতেই বাংলা গদ্যসাহিত্যে ছেদ-যতিচিহ্নের ব্যবহার সূচিত হয়। শব্দবিন্যাসের কৌশলে আধুনিকতাময়, সহজবোধ্য সরসতা লাভ করেছিল তাঁর লেখনী। আর তাই দ্বিধাহীন চিত্তে তাঁকে ‘আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক' হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। হিন্দি ‘বৈতাল পচ্চিসী' গ্রন্থের ভাবানুবাদ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭), মহাকবি কালিদাস-এর ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্ নাটকের স্বচ্ছন্দ গদ্যানুবাদ 'শকুন্তলা' (১৮৫৪), ভবভূতির উত্তররামচরিত'-এর প্রথম তিনটি অধ্যায় ও...

রবীন্দ্রনাথের রূপক ও সাংকেতিক নাটকগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ।

  রবীন্দ্রনাথের রূপক ও সাংকেতিক নাটকগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও । উত্তরঃ ‘রূপক' হল আখ্যানবস্তু ও চরিত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা একটি ভাব বা তত্ত্বের গুপ্তবীজ। তা ধীরে ধীরে অঙ্কুরিত   হয়ে শাখাপ্রশাখা বিস্তার করে এবং লৌকিক জীবনের বর্ণনার মধ্য দিয়ে নাটককার গভীর ভাবসত্যকে প্রকাশ করেন। আর ‘প্রতীক' বা 'সংকেত' হল স্রষ্টার মনোজগতের অনুভূতিমালার এক সাংকেতিক ও ব্যঞ্জনামণ্ডিত প্রকাশ। প্রতীকের উৎস শিল্পীর অবচেতন বা অর্ধচেতন মন। রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটকের মধ্যে ‘রাজা’, ‘ডাকঘর’, ‘রক্তকরবী’, ‘অচলায়তন, ‘মুক্তধারা' প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ” 'রাজা': 'বৌদ্ধজাতক' গ্রন্থের কুশজাতকের কাহিনি অবলম্বনে ‘রাজা” নাটকটি লেখা। এটি অধ্যাত্মরসের নাটক। রাজা এখানে ভগবান, রানি সুদর্শনা মানবাত্মা। জীবাত্মা অনেক সাধনায় পরমাত্মাকে চিনতে পারে—এই বিষয়টিই এখানে রূপকের মাধ্যমে বলা হয়েছে। জানতে চায়, প্রকৃতির সৌন্দর্য আকণ্ঠ পান করতে চায়। সীমা-অসীমের মধ্যে সামঞ্জস্যের সাধনাই প্রকৃত জীবনসাধনা— আমলের * ‘ডাকঘর’: ‘ডাকঘর' নাটকটিকে বলা চলে একটি ক্ষুদ্র আখ্যান। রুগ্‌ণ বালক অমল ঘরের মধ্যে...

দ্বিজেন্দ্রলালের নাটকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যে তাঁর ভূমিকা কী, তা বুঝিয়ে দাও ।

দ্বিজেন্দ্রলালের নাটকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে বাংলা নাট্যসাহিত্যে তাঁর ভূমিকা কী, তা বুঝিয়ে দাও । উত্তর: দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩) একাধারে কবি ও নাটককার। তাঁর নাটকগুলিকে আমরা নিম্নলিখিত শ্রেণিতে ভাগ করে আলোচনা করতে পারি— → হাস্যরসাত্মক প্রহসন : দ্বিজেন্দ্রলালের প্রহসনধর্মী নাটকের মধ্যে ‘কল্কি অবতার' (১৮৯৫), ‘বিরহ' (১৮৯৭),  'ব্রহস্পর্শ' (১৯০০), 'পুনর্জন্ম' (১৯১১) প্রভৃতি প্রধান। এই নাটকগুলিতে দ্বিজেন্দ্রলাল তৎকালীন সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করেছেন। নাটকের চরিত্রগুলি রঙ্গ-কৌতুকপূর্ণ এবং বেশ উপভোগ্য। চরিত্রগুলির মধ্যে নিছক ভাঁড়ামি নেই।  পৌরাণিক নাটক : দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পৌরাণিক নাটকের মধ্যে ‘পাষাণী' (১৯০০), ‘সীতা (১৯০৮), ‘ভীষ্ম' (১৯১৪) প্রভৃতি প্রধান। এই নাটকগুলি আধুনিক ভাববৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্রতায় নতুনভাবে উপস্থিত হয়েছে।  ঐতিহাসিক নাটক : তাঁর পৌরাণিক নাটকের মধ্যে 'মেবার পতন' (১৯০৮), 'নূরজাহান' (১৯০৮), 'সাজাহান' (১৯০৯) ‘চন্দ্রগুপ্ত” (১৯১১) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এই নাটকগুলিতে তিনি ইতিহাসের প্রতি আনুগত্য দেখিয়...

ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃতিত্বের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ।

 ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃতিত্বের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও । উত্তর: রবীন্দ্র-পরবর্তী সাহিত্যধারায় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলি জীবনের গদ্যময় বাস্তবতাকে প্রকাশ করেছে। বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত 'অতসী মামী' (১৯৩৫) গল্পের মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যের আঙিনায় প্রবেশ করেন। তাঁর প্রধান প্রধান উপন্যাসগুলি হল—'পুতুলনাচের ইতিকথা' (১৯৩৬), 'পদ্মানদীর মাঝি' (১৯৩৬), 'অহিংসা' (১৯৪১), 'চতুষ্কোণ' (১৯৪৮), 'সোনার চেয়ে দামী' (১৯৫১) ইত্যাদি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দিবারাত্রির কাব্য' উপন্যাসে মানুষের অবচেতন মনের দিকটি দেখানো হয়েছে। 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসে পরিস্থিতির চাপে গ্রামকেন্দ্রিক মানুষের জীবনের জটিলতার দিকগুলি উঠে এসেছে। 'পদ্মানদীর মাঝি'-তে পদ্মাকেন্দ্রিক জেলে ও মাঝিদের জীবন-সংগ্রামের চিত্র সুচারুভাবে অঙ্কিত হয়েছে। ‘শহরতলী'-তে পুঁজিপতি ও মেহনতি মানুষের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। 'চতুষ্কোণ' উপন্যাসটিকে যৌন জীবনের ছবি মনে হলেও সেখানে সুস্থ, উপভোগ্য জীবনের প্রতি ঝোঁক লক্ষ করা যায়। বৃত্তিজীবী মানুষের জীবন ও ...

মহাকাব্য ও আখ্যানকাব্যের সাধারণ পরিচয় দাও।

মহাকাব্য ও আখ্যানকাব্যের সাধারণ পরিচয় দাও।  মহাকাব্য : ইংরেজি সাহিত্যের এপিক (Epic)-ই হল বাংলার বীররসাত্মক মহাকাব্য। এটি বস্তুনিষ্ঠ তন্ময় কাব্য, যার মধ্যে লেখকের আন্তর অনুভূতির প্রকাশ থাকে না, থাকে বস্তুপ্রধান ঘটনাবিন্যাসের প্রকাশ। এতে থাকে না গীতিকাব্যোচিত সুরের মূর্ছনা, বদলে থাকে যুদ্ধসজ্জার তূর্য নিনাদ। মহাকাব্যের আখ্যানবস্তু হবে পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক। গ্রন্থারম্ভে আশীর্বচন (নমস্কার) অথবা বস্তুনির্দেশ থাকবে। এর নায়ক হবে ধীরোদাত্ত গুণসম্পন্ন এবং সর্গসংখ্যা হবে আর্ট-এর অধিক। পটভূমি হবে স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালপ্রসারী। শৃঙ্গার, বীর ও শান্ত—এই তিনটি রসের মধ্যে একটি প্রাধান্য পাবে। ভাষা হবে ওজস্বী ও গাম্ভীর্যপূর্ণ। মহাকাব্যের সমাপ্তি হবে নায়কের জয়লাভ বা আত্মপ্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পৃথিবীতে মোট যে-চারটি সুপ্রাচীন মহাকাব্যের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি হল-সংস্কৃতে রচিত বাল্মীকির 'রামায়ণ' ও বেদব্যাস রচিত 'মহাভারত' এবং হোমারের ইলিয়ড' ও 'ওডিসি'। যদিও এরপর অলংকারশাস্ত্র অনুসারী কিছু মহাকাব্যের নিদর্শনও মেলে। সেগুলি হল-কালিদাসের 'রঘুবংশম', ভার্জিলের ‘ঈনিড...

রবীন্দ্র-নাটকের শ্রেণিবিভাগ করো। রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্যগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ।

রবীন্দ্র-নাটকের শ্রেণিবিভাগ করো। রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্যগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও । class 12 bengali question answer উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা বড় প্রশ্ন উত্তর 2023 সাধারণভাবে রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলিকে আমরা পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারি। ভাগগুলি এইরক— ক) কাব্যনাট্য : ‘রুদ্রচণ্ড” (১৮৮১), 'বাল্মীকি প্রতিভা' (১৮৮১), 'প্রকৃতির প্রতিশোধ' (১৮৮৪), 'কালমৃগয়া' (১৮৮৮) ও মায়ার খেলা' (১৮৮৮) ইত্যাদি।  খ) প্রথানুগ বা প্রচলিত রীতিসম্মত নাটক : 'রাজা ও রাণী' (১৮৮৯), 'বিসর্জন' (১৮৯০), প্রায়শ্চিত্ত' (১৯০৯), 'গৃহপ্রবেশ' (১৯২৫), ‘তপতী' (১৯২৯) প্রভৃতি। (গ) কৌতুক নাট্য : 'শেষ রক্ষা' (১৮২৮), 'গোড়ায় গলদ' (১৮৯২), 'বৈকুণ্ঠের খাতা' (১৮৯৭), ‘চিরকুমার সভা' (১৯২৬) ইত্যাদি। (ঘ) রূপক ও সাংকেতিক নাটক : 'রাজা' (১৯১০), ‘অরূপরতন' (১৯১০), ‘অচলায়তন' (১৯১২), মুক্তধারা' (১৯২২), ‘রক্তকরবী' (১৯১৬), 'ডাকঘর' (১৯১২), 'কালের যাত্রা' (১৯৩২) প্রভৃতি। (ঙ) নৃত্যনাট্য : 'চিত্রাঙ্গদা' (১৯০৬), 'চণ্ডা...

রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্যগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ।

রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্যগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও । উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা বড় প্রশ্ন উত্তর 2023 class 12 bengali question answer  রবীন্দ্রনাথ মূলত কবি। কাব্যের অসীমাকাশেই তাঁর চিত্তের মুক্তি। ঘটনাগত বিন্যাসকে বাদ দিয়ে হৃদয়ানুভূতিগত দ্বন্দ্বের আদলে উপলব্ধ জীবনসত্যকে তিনি রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর কাব্যধর্মী নাটকের মধ্যে ‘কর্ণ-কুন্তী সংবাদ’, ‘রুদ্রচণ্ড’, ‘গান্ধারীর আবেদন’, ‘বাল্মীকি প্রতিভা', 'কালমৃগয়া', 'মায়ার খেলা' ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ' প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য । রবীন্দ্রনাথ বোলপুরে পিতৃদেবের সন্নিধানে থাকার সময় ‘পৃথ্বীরাজের পরাজয়' নামে একটি কাব্য রচনা করেন। ‘রুদ্রচণ্ড’ নাটকটি তারই নাট্যরূপ বলে মনে হয়। এর ভাষা অপরিণত, সাহিত্যিক মূল্য বিশেষ নেই। 'বাল্মীকি প্রতিভা' নাটকের কাহিনি নেওয়া হয়েছে দস্যু রত্নাকর-এর আখ্যান থেকে। দেশি-বিদেশি সংগীতের সমন্বয় এ নাটকে লক্ষ করা যায়। 'প্রকৃতির প্রতিশোধ' তত্ত্বপ্রধান নাটক। এর আখ্যান কবির নিজস্ব। গীতিমাধুর্য এই নাটকের প্রাণ।  “কালমৃগয়া'-র কাহিনি দশরথ কর্তৃক অন্ধমুনির পুত্রকে হত্যার আখ্যান থেকে গ্রহ...

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম করো। কথাসাহিত্যিক হিসেবে তাঁর বিশিষ্টতার দিকগুলি উল্লেখ করো ।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম করো। কথাসাহিত্যিক হিসেবে তাঁর বিশিষ্টতার দিকগুলি উল্লেখ করো । class 12 bengali question answer উত্তর: প্রকৃতির মুগ্ধ দর্শক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৪-১৯৫০) মানবজীবনকে প্রকৃতির প্রেক্ষাপটেই বিচার করেছেন। প্রাত্যহিক জীবনে মানুষের সাধারণ ঘটনা, কথাবার্তা, হাঁটাচলা, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা- এসবই তাঁর গল্প-উপন্যাসের বিষয়। তাঁর প্রধান উপন্যাসগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—'পথের পাঁচালী' (১৯২৯), ‘অপরাজিত' (১৯৩২), 'আরণ্যক' (১৯৩৮), ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল' (১৯৪০), 'ইছামতী' (১৯৫০), 'অশনি সংকেত' (১৯৫০) প্রভৃতি । বিভূতিভূষণের উপন্যাসের বিশিষ্টতার দিকগুলি হল— ক পরিচিত বিষয়, দৃশ্য, বিবর্ণ দেশ-কাল—এসবের মধ্যে লুকিয়ে থাকা রসবস্তু, কঠোর বাস্তবের মধ্যে লুকিয়ে থাকা রূপলোকের স্বপ্ন-মাধুরীকে বিভূতিভূষণ আবিষ্কার করেছেন। খ) প্রকৃতির সঙ্গে মানবহৃদয়ের যে একটি গোপন সংযোগ আছে, তা তিনি তাঁর লেখায় বারেবারে উপস্থাপিত করেছেন। যেমন—'আরণ্যক' উপন্যাসে তাঁর ভাবতন্ময়তা লক্ষ করা যায়। (গ) সমসাময়িক যুগের রাজনৈতিক অ...

বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিজন ভট্টাচার্যের নাট্যপ্রতিভার পরিচয় দাও ।

বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিজন ভট্টাচার্যের নাট্যপ্রতিভার পরিচয় দাও । class 12 bengali question answer  বিংশ শতাব্দীর চারের দশকের বাংলা গণনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর নাটকের মধ্য দিয়ে সমাজের বঞ্চিত, লাঞ্ছিত, দারিদ্র্যক্লিষ্ট জনমানসের মর্মবেদনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবাদী সত্তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন প্রকৃতই সাম্যবাদের আদর্শে বিশ্বাসী। বিজন ভট্টাচার্য-এর প্রথম দুটি নাটক 'আগুন' ও 'জবানবন্দী'-তে বাংলার কৃষক সমাজের দুর্দশার করুণ নির্মম চিত্র দেখানো হয়েছে। তবে 'নবান্ন' নাটকের মাধ্যমেই বিজনবাবুর খ্যাতি প্রচারিত হয়েছিল। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ২৪ অক্টোবর ভারতীয় গণনাট্য সংঘের প্রযোজনায় 'শ্রীরাম' রঙ্গমঞ্চে 'নবান্ন' নাটক প্রথম অভিনীত হয়। এই নাটকটি মূলত বিষয়বস্তুর অভিনবত্ব ও অভিনয়ের প্রাঞ্জলতার গুণে বাংলা নাট্যাভিনয়ের জগতে বিপুল সাড়া ফেলে। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট আন্দোলন, বন্যা, মহামারি ও ভয়ানক দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে নাটকটি রচিত। এর মধ্য দিয...

বাংলা গীতিকবিতার ধারায় কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর ভূমিকা আলোচনা করো ।

বাংলা গীতিকবিতার ধারায় কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর ভূমিকা আলোচনা করো । class 12 bengali question answer 2023 উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা বড় প্রশ্ন উত্তর 2023  উনিশ শতকে বাংলা কবিতার দুটি স্বতন্ত্র ধারা লক্ষ করা যায়। একটি মহাকাব্যের ধারা, অন্যটি গীতিকাব্যের ধারা। মধুসূদন দত্তের 'ব্রজাঙ্গনা কাব্য', হেমচন্দ্রের ‘কবিতাবলী' কিংবা নবীনচন্দ্রের ‘অবকাশরঞ্জিনী' গীতিকবিতার জগতের কিছু প্রতিনিধিস্থানীয় সৃষ্টি। এই সময়পর্বেই বাংলা কবিতার জগতে প্রবেশ করেন বিহারীলাল চক্রবর্তী, যিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মহাকাব্যের পাঠক বাঙালি সমাজকে গীতিকবিতার আস্বাদ গ্রহণে উৎসুক করে তুলতে সমর্থ হন। বাংলা গীতিকাব্যের নবরূপান্তর বিহারীলালের দ্বারাই সম্ভবপর হয়েছিল। ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে রচিত 'সঙ্গীতশতক' সাধারণের কাছে খুব একটা সমাদৃত না হলেও গবেষক সুকুমার সেনের মতে, বৈষ্ণব পদাবলি-র মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলার বিশুদ্ধ গীতিকবিতার যে-ধারা নিধুবাবু, শ্রীধর কথক, রাম বসু প্রমুখের টপ্পায় অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রণয়সংগীতে এসে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল, তাকেই বিহারীলাল নতুন করে প্রবাহিত করলেন তাঁর ‘সঙ্গীতশতক' কাব্যে...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আগামী' কবিতাটি 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

আগামী Class 12 Bengali Question 2023 সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)  প্রশ্নমান ১ class 12 bengali mcq question answer ১. “ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই”-বক্তা কে ? (ক) বৃক্ষ শিশু (খ) বনস্পতি (গ) বটবৃক্ষ (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ উত্তর: (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ। ২. অঙ্কুরিত বীজের ক্ষুদ্র শরীরে বাজে— (ক) ঝড় (খ) বৃষ্টি (গ) ভূমিকম্প (ঘ) তুফান উত্তর: (ক) ঝড়। ৩. অঙ্কুরিত বীজের শাখায় প্রত্যাহত হবে— (ক) পত্রমর্মর (খ) মর্মরধ্বনি (গ) পাখির কূজন (ঘ) বিচিত্রধ্বনি উত্তর: (খ) মর্মরধ্বনি । ৪. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু অরণ্যের বিশাল চেতনা অনুভব করে— (ক) পত্রে (খ) পুষ্পে (গ) শিকড়ে (ঘ) শাখায় উত্তর: (গ) শিকড়ে। ৫. “জানি তারা মুখরিত হবে”—কীভাবে ? (ক) নব শতকের গানে (খ) নতুন দিনের গানে (গ) নব তারণ্যের গানে (ঘ) নব জীবনের গানে উত্তর: (গ) নব অরণ্যের গানে। ৬. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু নব অরণ্যের গানে মিশে যাবে— (ক) বসন্তে (খ) বর্ষায় (গ) গ্রীষ্মে (ঘ) শীতে উত্তর: (ক) বসন্তে। ৭. অঙ্কুরিত বীজ কোথায় মিশে যাবে ? (ক) অরণ্যের দলে (খ) বৃহতের দলে (গ) ক্ষুদ্রের দলে (ঘ) মহীরুহ-র দলে উত্তর: (খ) বৃহতের দলে। ৮. অঙ্কুরিত বীজ নিজেকে বলেছে— (ক) ভ...

বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the modernization of Tripura from Birchandra Manikya to Bir Bikram Kishor Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।  ত্রিপুরায় আধুনিক যুগের সূচনা হয় মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্যের শাসনকালে। তিনি ব্রিটিশ ভারতের শাসন পদ্ধতির অনুকরণে ত্রিপুরার শাসন ব্যবস্থার সংস্কার করেণ এবং লিখিত আইন কানুন প্রনয়নের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে সুসংবদ্ধ ও সুসংগঠিত করেণ। মোটের উপর বীরচন্দ্রমানিক্য (১৮৬২-১৮৯৬ খ্রি:) তাঁর আমলে ত্রিপুরা রাজ্য এক নতুন রূপ লাভ করে। ১) মিউনিসিপ্যালিটি গঠন তিনি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করেন। তবে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা বিধানে কিংবা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসাবে দীর্ঘকাল কোনো কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি ছিল ব্যর্থ। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুলাই ডবলিউ. বি. পাওয়ার সাহেব ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম পলিটিক্যাল এজেন্ট নিযুক্ত হন।  ২) বিচার সংক্রান্ত সংস্কার প্রাচীনকাল হতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি সংক্রান্ত বিচারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি মহারাজ স্বয়ং সম্পাদন করতেন। ১৮৭২ খ্রিস্টা...

বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the social and economic condition of Tripura before the accession of Birchandra Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর। ভূমিকা ত্রিপুরার মাণিক্য উপাধিকারী রাজন্যবর্গের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন আত্মমর্যাদাজ্ঞানহীন, ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রী। এসব ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রীরা মুঘল ফৌজদারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অধিক সংখ্যক হাতি, নিয়মিত উচ্চ হারে খাজনা, নজরানা ইত্যাদি দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজত্বের সনদ লাভ করতেন। এটা ত্রিপুরার দুর্বল অর্থনীতির উপর এক বিরাট আঘাত ও স্থায়ী ক্ষতস্বরূপ ছিল। তবে এ সময়ের শুভদিক হল ত্রিপুরায় ব্রিটিশ ভারতের অনুকরণে আইন প্রণয়নের সূত্রপাত, প্রশাসনিক বিধিব্যবস্থার প্রবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের উন্মেষ ও সামাজিক সংস্কার। Economic Condition ১) চাষাবাদ ও কৃষি ত্রিপুরার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা হল কৃষি। কৃষিজ উৎপাদনের মধ্যে ধান, গম, আলু, আখ, সরিষা, ডাল জাতীয় শস্য, কার্পাস, তুলো, কচু, আদা, তরমুজ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শিকার ও পশুপালন করেও তারা জীবিকা নির্বাহ করত। এখানকার চাষযোগ্য সমতল জমির সাথে ...