সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ?

 How did Tripura Join as a State of Independent India? ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ? ভূমিকা ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে ত্রিপুরার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর ৩৯ বছর বয়সে পরলোক গমন করলে তার পুত্র কিরীট বিক্রম কিশোর দেববর্মন মানিক্য বাহাদুর ত্রিপুরা রাজ্য ও চাকলা রোশনাবাদের জমিদারি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হন। তিনি নাবালক থাকায় ভারত সরকারের পরামর্শ অনুযায়ি রাজমাতা মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবীর নেতৃত্বে রাজপ্রতিনিধি শাসন পরিষদ বা কাউন্সিল অব রিজেন্সি গঠিত হয়। মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবী এই পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং রাজকুমার ব্রজেন্দ্র কিশোর দেববর্মন বাহাদুর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। মেজর বঙ্কিম বিহারী দেববর্মন ও মন্ত্রী রাজরত্ন সত্যব্রত মুখার্জি এই পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হন। (২) পাকিস্তানের ত্রিপুরা আক্রমনের ষড়যন্ত্র ভারত স্বাধীনতা লাভের অল্পদিনের পরেই ত্রিপুরা রাজ্য এক গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন হয়। ত্রিপুরা সীমান্তস্থিত কুমিল্লার মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের উদ্যোগে ও আগরতলার কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় পাকিস্তান ত্রিপুরা আক্রমনের পরিকল্পনা করে। ত্রিপুরার রা...

ত্রিপুরা থেকে আগরতলা জি কে প্রশ্ন উত্তর ২০২৩

পরিবহণ

 ত্রিপুরার সড়কপথ , রেলপথ , জলপথ এবং আকাশপথ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ( প্রশ্নোত্তরসহ ) দেওয়া হল ।

সড়কপথ

 উত্তর - পূর্বাঞ্চলের একটি অরণ্যসংলগ্ন রাজ্য হল ত্রিপুরা । এই রাজ্যটি পর্বতময় । ভূপ্রকৃতি উঁচুনীচু , ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ । রাজ্যের ৬০ শতাংশ ভূখণ্ডই পার্বত্য অঞ্চল । ছ - টি বড়ো পর্বতশ্রেণি সমান্তরালভাবে উত্তর - দক্ষিণে সারারাজ্যে ছড়িয়ে আছে । সহজেই অনুমান করা যায় , এই রাজ্যের রাস্তাঘাট নির্মাণ কী পরিমাণে কষ্টকর ও ব্যয়সাধ্য ছিল । ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে সড়ক নির্মাণকার্য শুরু হয় । প্রাথমিক অবস্থায় তৈরি হওয়া সড়কের নাম ছিল কুর্তি রোড । পরে তা ‘ অসম - আগরতলা রোড ’ নামে পরিচিতি লাভ করে । এই সড়ক নির্মাণে বহুশ্রম , বহুঅর্থ ব্যয়িত হয়েছে । শুধুমাত্র পাহাড় নয় , ত্রিপুরার পাহাড়ি নদী এবং খরস্রোতা নদীগুলিকে শাসনে এনে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সড়কপথ নির্মাণকার্য সত্যিই কঠিন ছিল ।

 অবশেষে বহুবাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে অসম - আগরতলা রোড আজ ত্রিপুরার জীবনরেখা হিসেবে ত্রিপুরার যোগাযোগ ও পরিবহণ ব্যবস্থার মধ্যমণি হয়ে আছে । ‘ অসম - আগরতলা সড়ক ’ বর্তমানে ত্রিপুরার বৃহত্তম সড়ক । ত্রিপুরার দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক হল আগরতলা - সাব্রুম রোড , যার দৈর্ঘ্য ১৩৩ কিলোমিটার । এই রাস্তাটি বর্তমানে জাতীয় সড়কের মর্যাদা পেয়েছে । বর্তমানে ত্রিপুরায় ৮৫৩ কিমি জাতীয় সড়ক বিদ্যমান ।

১. ত্রিপুরার প্রধান জাতীয় সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থার নাম কী ?

 ৪৪ নং জাতীয় সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা ।

২. ৪৪ নং জাতীয় সড়কটি অসমের কোন্ স্থান থেকে শুরু হয়েছে ?

 অসমের চোরাইবাড়ি থেকে ।

 ৩. ধর্মনগর থেকে আগরতলা হয়ে সাব্রুমের দূরত্ব কত কিমি ?

 ৩৩২ কিমি ।

 ৪. জাতীয় সড়কপথে আগরতলা থেকে ধর্মনগরের দূরত্ব কত কিমি ?

 ১৯৫ কিমি ।

 ৫. আগরতলা থেকে সাব্রুমের দূরত্ব কত কিমি ?

 ১৩৭ কিমি ।

 ৬. আগরতলা থেকে শিলচরের দূরত্ব কত কিমি ?

 ৩০৬ কিমি ।

 ৭. ধর্মনগর থেকে সড়কপথে শিলচরের দূরত্ব কত কিমি ?

 ১৪০ কিমি ।

 ৮. আগরতলা থেকে সড়কপথে শিলং - এর দূরত্ব কত কিমি ?

 ৪৯৭ কিমি ।

 ৯. আগরতলা থেকে সড়কপথে কলকাতার দূরত্ব কত কিমি ?

 ১,৬৫৩ কিমি ।

 ১০. ত্রিপুরা সরকার দ্বারা পরিচালিত পরিবহণ প্রতিষ্ঠানটির নাম কী ?

 ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন । 

১১. রাজ্য সরকারের ‘ পরিবহণ ভবনটি ’ কোথায় অবস্থিত ?

 → আগরতলায় আস্তাবল মাঠসংলগ্ন স্থানে ।

 ১২. আন্তর্জাতিক বাস - স্টেশনটি কোথায় অবস্থিত ?

 আগরতলার কৃষ্ণনগরে ।

 ১৩. আগরতলা - ঢাকা বাস সার্ভিস কবে চালু হয় ?

 ২২ সেপ্টেম্বর , ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে ।

 ১৪. আগ্রতলা এবং ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী বাসগাড়ি দুটির নাম কী ?

 → মৈত্রী ( ভারত ) , আগরতলা থেকে ঢাকা এবং শ্যামলী ( বাংলাদেশ ) , ঢাকা থেকে আগরতলা ।

 ১৫. ইন্টার - স্টেট বাস টার্মিনালটি কোথায় অবস্থিত ?

 আগরতলার উপকণ্ঠে চন্দ্রপুরে । 

রেলপথ

 রেলপথ তিন রকমের হয়— ( ১ ) ব্রড গেজ , ( ২ ) মিটার গেজ এবং ( ৩ ) ন্যারো গেজ ।

 বর্তমানে ত্রিপুরা রাজ্যে ব্রড গেজে রেল চলে । যোগাযোগের ক্ষেত্রে ত্রিপুরা রেল - মানচিত্রে এক উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছে । বর্তমানে আগরতলা পর্যন্ত প্যাসেঞ্জার এবং এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি প্রচুর যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছে । ত্রিপুরাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে ।

 পত্রিপুরায় রেলপথ চালু হয়  ২২ এপ্রিল , ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে

 ত্রিপুরা কোন্ রেল অঞ্চলের অধীন  নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে

এনএফ রেলওয়ের সদর দপ্তর  মালিগাঁও ( গুয়াহাটি )

 বর্তমানে ত্রিপুরার প্রধান রেলওয়ে স্টেশন  ডুকলি 

 বর্তমানে ত্রিপুরার অভ্যন্তরে চালু রেলপথের দৈর্ঘ্য   ২০২ কিমি 

 বর্তমানে ত্রিপুরায় আগরতলা থেকে যাতায়াত করা যায়   দিল্লি , কলকাতা , গুয়াহাটি , শিলচর , ধর্মনগর ও উদয়পুর ( ত্রিপুরা )

 ধর্মনগর থেকে আগরতলা পর্যন্ত মোট ক - টি রেলস্টেশন আছে ?  ১৪ টি 

 আগরতলা থেকে উদয়পুর পর্যন্ত ক - টি রেলস্টেশন আছে ?  ৫ টি 


 ধর্মনগর থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য  ১৪৪ কিমি 

 আগরতলা থেকে উদয়পুর পর্যন্ত রেলপথের  মোট দৈর্ঘ্য  ৪৪ কিমি

ধর্মনগর থেকে আগরতলা পর্যন্ত  রেলস্টেশনগুলির নাম  ধর্মনগর , পানিসাগর , পেচারথল , কুমারঘাট , নালকাটা , মনু , এস কে পাড়া , জওহরনগর , আমবাসা , মুঙ্গিয়াকামী , তেলিয়ামুড়া , জিরানিয়া , যোগেন্দ্রনগর , আগরতলা ।

 আগরতলা থেকে উদয়পুর পর্যন্ত রেলস্টেশন গুলির নাম   আগরতলা , সেকেরকোর্ট , বিশালগড় , বিশ্রামগঞ্জ , উদয়পুর ।

ত্রিপুরার সবচেয়ে বড়ো রেল  সুড়ঙ্গ  লংতরাই পাহাড়ের সুড়ঙ্গ , ১,৮৮৮ মিটার দৈর্ঘ্য ।

পাহাড় অঞ্চলে রেল - সুড়ঙ্গের সংখ্যা   ১১ টি |

 ত্রিপুরার অভ্যন্তরে অসমসংলগ্ন রেলস্টেশনের নাম   চুরাইবাড়ি

 ত্রিপুরার অভ্যন্তরে বর্তমানে রেলস্টেশনের সংখ্যা  ২০ টি

 ত্রিপুরার ব্রড গেজ রেললাইন চালু হয়  ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে

 ধর্মনগর - আগরতলা যাত্রীবাহী ট্রেন ( একজোড়া চালু হয় ব্রড গেজ )  ৭ আগস্ট , ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে

 আগরতলা – শিয়ালদহ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস প্রতি মঙ্গল ও শনিবার ( চালু হয়  ৭ অক্টোবর , ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ )

 আখাউরা - আগরতলা রেলপথের শিলান্যাস হয়  ৩১ জুলাই , ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে

 আগরতলা থেকে সাব্রুম পর্যন্ত রেলপথ  ১১০ কিমি

 নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের শাখা দফতর  আগরতলার গুর্খাবস্তিতে পণ্ডিত নেহরু কমপ্লেক্স

 ত্রিপুরার অভ্যন্তরে রেল চলাচল করছে   ধর্মনগর থেকে আগরতলা কাজ চলছে আগরতলা — সাব্রুম ভায়া বিলোনিয়া |

 ধর্মনগর থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য  ১৭৫ কিমি

 কুমারঘাট থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথে মোট রেলসেতুর সংখ্যা  ছোটো : ১৭০ টি , বড়ো : ১৫ টি

 যে - ক - টি যাত্রীবাহী ট্রেন আগরতলা পর্যন্ত যাতায়াত করে  ১. দিল্লি - আগরতলা ( এক্সপ্রেস ) ২. শিলচর - আগরতলা ( প্যাসেঞ্জার ) ৩. আগরতলা - কলকাতা ( প্যাসেঞ্জার ) ৪. কলকাতা আগরতলা ( মৈত্রী এক্সপ্রেস )

 বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগের রেলপথ   আগরতলা - আখাউরা রেলসংযোগ শিলান্যাস হয় ৩১ জুলাই ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে 

ব্রড গেজে চালু হওয়া আগরতলা - নয়া দিল্লি ত্রিপুরাসুন্দরী এক্সপ্রেস ’ - এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে    ৩১ জুলাই , ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে

 আগরতলা - কলকাতা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস চালু হয়    ৭ অক্টোবর , ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে । প্রান্তিক  | স্টেশন - শিয়ালদহ

জলপথ

 জলপথ ত্রিপুরা রাজ্যে প্রায় নেই বললেই চলে । কারণ ত্রিপুরার নদীগুলি সংবৎসর নাব্য নয় । তবু যে জলপথ একেবারেই ব্যবহৃত হয় না , তা নয় । অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ এবং বনজসম্পদ পরিবহণের কাজে ত্রিপুরার গোমতী , মনু ও জুরী নদী বর্ষা এবং শরৎকালে ব্যবহার করা হয় । অমরপুর মহকুমার ডম্বুর ও রইস্যাবাড়ি অঞ্চলে নৌকাযাত্রী ও মাল পরিবহণের ব্যবস্থা চালু আছে ।

আকাশপথ

 ত্রিপুরার অন্যতম যোগাযোগ ব্যবস্থা হল আকাশপথ । ভারতের মূলভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগস্থাপনের জন্য আকাশপথ এই রাজ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । আপদকালীন সময়ে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য এই আকাশপথের গুরুত্ব অপরিসীম । সহজ যাতায়াতের উপায় হিসেবে আকাশপথই এই রাজ্যে জনপ্রিয় । বর্তমানে রাজ্যের রাজধানী আগরতলা থেকে বহুসরকারি ও বেসরকারি বিমান কলকাতা , দিল্লি , গুয়াহাটি ও শিলচর যাতায়াত করে ।

 বর্তমানে রাজ্যের অভ্যন্তরে আকাশপথে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু হয়েছে । যদিও বিমানপথের যাতায়াতের খরচ খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার , তবু ত্রিপুরার মানুষের কাছে এই বিমানপথই বহিত্রিপুরার সঙ্গে যোগাযোগের সহজতম উপায় ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 ১. কবে আগরতলা বিমানবন্দরের পত্তন হয় ?

  ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে আগরতলা বিমানবন্দরের পত্তন হয় ।

 ২. আগরতলায় চালু বিমান সংস্থাগুলি কী কী ?

 → আগরতলায় চালু বিমান সংস্থাগুলি হল — এয়ার ইন্ডিয়া , ইন্ডিগো , স্পাইসজেট , ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স , জেট এয়ারওয়েস ইত্যাদি ।

 ৩. ত্রিপুরা রাজ্যে হেলিকপ্টার সার্ভিস কোন্ সংস্থা পরিচালনা করে ?

  ত্রিপুরা রাজ্যে হেলিকপ্টার সার্ভিস পবনহংস সংস্থা পরিচালনা করে ।

 ৪. কবে রাজ্যে হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু হয় ?

  ২০০২ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাসে রাজ্যে হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু হয় । 

৫. রাজ্যের অভ্যন্তরে কোন কোন স্থানে হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু আছে ?

  আগরতলা , কৈলাসহর , ধর্মনগর , কাঞ্চনপুর , গন্ডাছড়া প্রভৃতি ২০ টি স্থানে হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু আছে ।

 ৬. আকাশপথে আগরতলা থেকে কলকাতা শহরের দূরত্ব কত ?

→  আকাশপথে আগরতলা থেকে কলকাতা শহরের দূরত্ব ৩১৫ কিমি ।

 ৭. আগরতলা শহর থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব কত কিমি ?

→ আগরতলা শহর থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব ১২ কিমি ।

 ৮. সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনক্রমে আগরতলা বিমানবন্দরের নতুন নামকরণ কি করা হয়েছে ?

→ বীরবিক্রম মাণিক্য কিশোর বিমানবন্দর রাখা হয়েছে ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আগামী' কবিতাটি 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

আগামী Class 12 Bengali Question 2023 সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)  প্রশ্নমান ১ class 12 bengali mcq question answer ১. “ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই”-বক্তা কে ? (ক) বৃক্ষ শিশু (খ) বনস্পতি (গ) বটবৃক্ষ (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ উত্তর: (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ। ২. অঙ্কুরিত বীজের ক্ষুদ্র শরীরে বাজে— (ক) ঝড় (খ) বৃষ্টি (গ) ভূমিকম্প (ঘ) তুফান উত্তর: (ক) ঝড়। ৩. অঙ্কুরিত বীজের শাখায় প্রত্যাহত হবে— (ক) পত্রমর্মর (খ) মর্মরধ্বনি (গ) পাখির কূজন (ঘ) বিচিত্রধ্বনি উত্তর: (খ) মর্মরধ্বনি । ৪. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু অরণ্যের বিশাল চেতনা অনুভব করে— (ক) পত্রে (খ) পুষ্পে (গ) শিকড়ে (ঘ) শাখায় উত্তর: (গ) শিকড়ে। ৫. “জানি তারা মুখরিত হবে”—কীভাবে ? (ক) নব শতকের গানে (খ) নতুন দিনের গানে (গ) নব তারণ্যের গানে (ঘ) নব জীবনের গানে উত্তর: (গ) নব অরণ্যের গানে। ৬. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু নব অরণ্যের গানে মিশে যাবে— (ক) বসন্তে (খ) বর্ষায় (গ) গ্রীষ্মে (ঘ) শীতে উত্তর: (ক) বসন্তে। ৭. অঙ্কুরিত বীজ কোথায় মিশে যাবে ? (ক) অরণ্যের দলে (খ) বৃহতের দলে (গ) ক্ষুদ্রের দলে (ঘ) মহীরুহ-র দলে উত্তর: (খ) বৃহতের দলে। ৮. অঙ্কুরিত বীজ নিজেকে বলেছে— (ক) ভ...

বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the modernization of Tripura from Birchandra Manikya to Bir Bikram Kishor Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।  ত্রিপুরায় আধুনিক যুগের সূচনা হয় মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্যের শাসনকালে। তিনি ব্রিটিশ ভারতের শাসন পদ্ধতির অনুকরণে ত্রিপুরার শাসন ব্যবস্থার সংস্কার করেণ এবং লিখিত আইন কানুন প্রনয়নের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে সুসংবদ্ধ ও সুসংগঠিত করেণ। মোটের উপর বীরচন্দ্রমানিক্য (১৮৬২-১৮৯৬ খ্রি:) তাঁর আমলে ত্রিপুরা রাজ্য এক নতুন রূপ লাভ করে। ১) মিউনিসিপ্যালিটি গঠন তিনি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করেন। তবে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা বিধানে কিংবা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসাবে দীর্ঘকাল কোনো কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি ছিল ব্যর্থ। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুলাই ডবলিউ. বি. পাওয়ার সাহেব ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম পলিটিক্যাল এজেন্ট নিযুক্ত হন।  ২) বিচার সংক্রান্ত সংস্কার প্রাচীনকাল হতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি সংক্রান্ত বিচারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি মহারাজ স্বয়ং সম্পাদন করতেন। ১৮৭২ খ্রিস্টা...

বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the social and economic condition of Tripura before the accession of Birchandra Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর। ভূমিকা ত্রিপুরার মাণিক্য উপাধিকারী রাজন্যবর্গের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন আত্মমর্যাদাজ্ঞানহীন, ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রী। এসব ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রীরা মুঘল ফৌজদারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অধিক সংখ্যক হাতি, নিয়মিত উচ্চ হারে খাজনা, নজরানা ইত্যাদি দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজত্বের সনদ লাভ করতেন। এটা ত্রিপুরার দুর্বল অর্থনীতির উপর এক বিরাট আঘাত ও স্থায়ী ক্ষতস্বরূপ ছিল। তবে এ সময়ের শুভদিক হল ত্রিপুরায় ব্রিটিশ ভারতের অনুকরণে আইন প্রণয়নের সূত্রপাত, প্রশাসনিক বিধিব্যবস্থার প্রবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের উন্মেষ ও সামাজিক সংস্কার। Economic Condition ১) চাষাবাদ ও কৃষি ত্রিপুরার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা হল কৃষি। কৃষিজ উৎপাদনের মধ্যে ধান, গম, আলু, আখ, সরিষা, ডাল জাতীয় শস্য, কার্পাস, তুলো, কচু, আদা, তরমুজ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শিকার ও পশুপালন করেও তারা জীবিকা নির্বাহ করত। এখানকার চাষযোগ্য সমতল জমির সাথে ...