অন্যান্য পেশাভিত্তিক কলেজ Tripura Degree College
শচিন দেববর্মন মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট মিউজিক কলেজ , আগরতলা → ১৯৬৪
ইন্সটিটিউট অব্ অ্যাডভান্স স্টাডিস ইন এডুকেশন , আগরতলা → ১৯৬৮
ভবন'স ত্রিপুরা কলেজ অব্ টিচার এডুকেশন , আগরতলা → ২০০৫
রিজিওন্যাল ইন্সটিটিউট অব্ ফারমাসিউটিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি , আগরতলা → ১৯৯৭
আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ , আগরতলা → ২০০৫
ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ , আমতলি → ২০০৬
ত্রিপুরা কলেজ অব্ নার্সিং , হাঁপানিয়া → ২০০৭
ত্রিপুরা কৃষি কলেজ , লেম্বুছেড়া → ২০০৭
কলেজ অব্ ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসবেন্ডারি , আর কে নগর → ২০০৯
ত্রিপুরা ইন্সটিটিউট অব্ প্যারামেডিকেল , আমতলি → ২০০৯
ইন্সটিটিউট অব্ নার্সিং সায়েন্স , আগরতলা → ২০১০
ত্রিপুরা ট্রাইবেল ফোক মিউজিক কলেজ , খুমলুঙ → ২০১০
ত্রিপুরা স্টেট আকাদেমি অব্ ট্রাইবেল কালচার ( ডিপ্লোমা কোর্স ) , কৃম্ভুনগর , সুপারিবাগান → ২০১১
ত্রিপুরাসুন্দরী কলেজ অব্ নার্সিং , আগরতলা → ২০১২
ত্রিপুরা সম্পর্কিত টীকা About Tripura
জগন্নাথদেবের মন্দির : ত্রিপুরার মন্দিরশিল্প নিজস্ব শৈলীতে সমুজ্জ্বল । মন্দির নির্মাণের গঠন - কাঠামোর মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজা ও শিল্পীদের সুস্থ রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায় । দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সদর শহর উদয়পুরে এই মন্দিরটি অবস্থিত । মন্দিরটি দেখতে ভারি সুন্দর ও পাথর দিয়ে তৈরি । মন্দিরটির গায়ে ও শীর্ষভাগে পদ্মপাপড়ির মতো নানা ১৬৬১ খ্রিস্টাব্দে মহারাজা গোবিন্দমাণিক্য এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন ।
ভুবনেশ্বরীর মন্দির : উদয়পুরে গোমতী নদীর দক্ষিণতীরে ভুবনেশ্বরীর মন্দিরটি অবস্থিত । এই অলংকরণ আছে । ভুবনেশ্বরীর মন্দির মন্দিরটি মহারাজ গোবিন্দমাণিক্য নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা যায় । কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ‘ রাজর্ষি ' উপন্যাসে এবং ‘ বিসর্জন ’ নাটকে এই মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায় ।
উদয়পুরের শিবমন্দির : উদয়পুর শহরের পূর্বদিকে ‘ মহাদেবের বাড়ি ' নামে একটি এলাকা আছে । সেখানে পাশাপাশি তিনটি শিবমন্দির রয়েছে । মন্দির গুলির গায়ে একসময়ে অনেকগুলি শিলালিপি খোদাই করা ছিল । শিলালিপি থেকে জানা যায় যে , মহারাজ কল্যাণমাণিক্য ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরগুলি মহাদেবের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছিলেন ।
দুত্যার বাড়ি : উদয়পুরে মহাদেব বাড়ির কাছে দুটি মন্দির পাশাপাশি রয়েছে । মহারাজ বিজয়মাণিক্যের প্রধান সেনাপতি বলিভীমনারায়ণের কন্যা দ্বিতীয়া দেবী এই মন্দির দুটি নির্মাণ করেছিলেন । দ্বিতীয়া দেবীর নাম অনুসারেই এই মন্দির দুটির নাম হয়েছে ‘ দুত্যার বাড়ি ' ।
গুণবতী গুচ্ছমন্দির : মহারাজা গোবিন্দমাণিক্যের মহিষী গুণবতী দেবী উদয়পুরে তিনটি সুন্দর মন্দির নির্মাণ করিয়েছিলেন । সেগুলিকে গুণবতী গুচ্ছমন্দির বলা হয় । মহারানি গুণবতী দেবী ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরগুলি বিষুর উদ্দেশে উৎসর্গ করেন ।
রাজনগরের বিঝুমন্দির : উদয়পুর থেকে পিত্রার দিকে যেতে রাজনগরের কাছে গভীর জঙ্গলে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি মন্দির দেখা যায় । এই মন্দির দুটির অপূর্ব সুন্দর টেরাকোটা শিল্প লক্ষ করা যায় । মন্দিরগাত্রের অলংকরণ খুব সুন্দর ।
ত্রিপুরেশ্বরীর মন্দির : উদয়পুরে মাতাবাড়ি অঞ্চলে এই মন্দিরটি অবস্থিত । এটি ভারতের একান্নপীঠের একপীঠ । এখানে সতীর দক্ষিণপদ পড়েছিল বলে অনেকে বিশ্বাস করেন । এটি হিন্দুদের নিকট একটি পবিত্র তীর্থস্থান । মহারাজ ধন্যমানিক্য এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ।
কসবা কালীমন্দির : কসবার শ্রীশ্রীজয়কালী মন্দিরটি ত্রিপুরার একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র । রাজধানী আগরতলা শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে মন্দিরটি অবস্থিত । মহারাজা নরেন্দ্রমাণিক্য ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরটির নির্মাণকার্য শুরু করেছিলেন । এটিকে কালীমন্দির বলা হলেও , মূর্তিটি দশভুজা মহিষাসুরমর্দিনীর মতো । মূর্তিটির কারুকার্য দেখবার মতো ।
অমরপুরের মঙ্গলচণ্ডীর মন্দির : অমরপুরে অমরসাগরের দক্ষিণ - পশ্চিম কোণে এই মন্দিরটি অবস্থিত । মঙ্গলচণ্ডীর মূর্তিটি কালো পাথরের পটভূমিকায় খোদিত । দেবী ত্রিনয়না , পদ্মাসনে উপবিষ্টা । তাঁর আটটি হাত — হাতে শঙ্খ , চক্র , গদা , পদ্ম , অভয়মুদ্রা ও বরদমুদ্রা । দেবীর মস্তকে কারুকাজ করা মুকুট এবং গলায় মালা রয়েছে । এই মূর্তিটি প্রাচীন হলেও দেখতে ভারি সুন্দর ।
খোয়াই হরিমন্দিরের নটরাজ মূর্তি : খোয়াই শহরে থানার সন্নিকটে একটি হরিমন্দির আছে । হরিমন্দিরের পাশেই অন্য একটি মন্দিরে কালো পাথরে তৈরি নটরাজ শিবের মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত । মূর্তিটি ৬০ সেন্টিমিটার দীর্ঘ এবং প্রস্থে ৩৬ সেন্টিমিটার । মূর্তিটি দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায় ।
পিলাক অঞ্চলের দেবদেবী : ত্রিপুরায় বিলোনিয়া মহকুমার পিলাক অঞ্চলে অনেক দেবদেবীর মূর্তি দেখা যায় । মূর্তিগুলি দেখে আমাদের বুঝে নিতে অসুবিধে হয় না যে , একসময়ে এখানে বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির এক বিশাল জনপদ ছিল । মূর্তিগুলির মধ্যে দেবদারুর দেবদেবী , বাসুদেব বাড়ির দেবদেবী , শ্যামসুন্দর আশ্রমটিলার দেবদেবী , ঠাকুরানি টিলার দেবদেবী , পূজাখলার দেবতা , বালিপাথরের গণেশের মূর্তি , রাজেশ্বরী আশ্রমে চুণ্ডা দেবীর মূর্তি প্রসিদ্ধ ।
আগরতলায় জগন্নাথদেবের মন্দির : আগরতলায় জগন্নাথদেবের মন্দিরটি নির্মিত হয় ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে । মন্দিরটির শিল্পকাজ খুবই সুন্দর । মন্দিরটির গর্ভগৃহ আটকোণা — প্রত্যেক কোণেই একটি করে স্তম্ভ আছে । চূড়ার অলংকরণও ভারি সুন্দর । এ ছাড়া আগরতলায় লক্ষ্মীনারায়ণ বাড়ি , বুদ্ধমন্দির , শিববাড়ি এবং আরও কয়েকটি মঠ ও মন্দির প্রসিদ্ধ । এইগুলির গঠননৈপুণ্য খুব চমৎকার ।
ঊনকোটি : উত্তর ত্রিপুরা জেলার কৈলাসহর মহকুমায় ঊনকোটি তীর্থ অবস্থিত । এখানে প্রতিবছর ফাল্গুন মাসের কৃয়া ত্রয়োদশী তিথিতে এবং অশোকাষ্টমীতে মেলা বসে । | মূর্তি - শিল্পের অনেক বিস্ময়কর নিদর্শন এখানে দেখতে পাওয়া যায় । এখানে ঊনকোটিশ্বর কালভৈরব , সিংহবাহিনী দুর্গা , হরগৌরী , বাসুদেব , | গণপতি , রামলক্ষ্মণ — এসব মূর্তিগুলি খুবই সুন্দর ।
দেবতামুড়া : অমরপুর থেকে উদয়পুরের দিকে গোমতী নদী দিয়ে নৌকো করে আসতে দেবতামুড়া পাহাড়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ভাস্কর্য চোখে পড়ে । পাহাড়ের গায়ে খোদাই করা মহিষাসুরমর্দিনী মূর্তিটি অপরূপ ।
ত্রিপুরার ভাস্কর্য
খারচি পুজো : ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহীত পুজো । আষাঢ় মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথি থেকে সাতদিন ধরে চলে এ পুজো । অষ্টধাতু নির্মিত চোদ্দোটি দেবতার প্রতীক মুণ্ড পূজিত হয় পুরাতন আগরতলার চতুর্দশ দেবতার বাড়িতে । খারচি হল মাণিক্য রাজাদের কুলদেবতা চতুর্দশ দেবদেবীমণ্ডলীর বার্ষিক পূজানুষ্ঠান । গোঁড়া হিন্দু পূজাপদ্ধতিতে দেবদেবীর খণ্ডিত অংশের পূজা হয় না , অথচ খারচি পুজোয় তাই ঘটে ।
উপজাতি সম্প্রদায়ের নিজস্ব পুজো হলেও কালক্রমে খারচি পুজোয় সনাতন হিন্দু পুজোর প্রভাব পড়েছে । দু - ধারার সহাবস্থানে পূজিত খারচি পুজোর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এখানেই ।
খের : খের শব্দের স্থানীয় বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় সীমানা বন্ধন বা গণ্ডি । খের পুজোর সময় একটি মন্ত্রপূত গণ্ডি দেওয়ার রীতি থেকে এর নামকরণ ।
খারচি পুজোর পর খের পুজো অনুষ্ঠিত হয় । রাজপরিবারের খের পুজোর অনুষ্ঠানের পর উপজাতি অধিবাসীরা আপন গাঁয়ে এই পুজো উদ্যাপন করে থাকে । নৈঃশব্দ্য ও গোপনতার আবরণে অনুষ্ঠিত এই পুজো তান্ত্রিক পুজো প্রকরণের ইঙ্গিত দেয় ।
জুমচাষপ্রথা : আদিম চাষপদ্ধতি । এই প্রথায় জুমের জন্য প্রথমে একটি টিলা বেছে নেওয়া হয় । সেখানকার গাছ - গাছালি , ঝোপঝাড় , জঙ্গল কেটে ফেলে রাখা হয় কিছুদিন যাতে শুকনো জঙ্গল সহজে পোড়ানো যায় । চৈত্রে আগুন দিয়ে জুম পোড়ানো হয় । একপশলা বৃষ্টি হলে সেখানে একত্রে ধান , তিল , কার্পাস ও সবজির বীজ টাক্কাল ( উপজাতিদের একধরনের দা ) দিয়ে গর্ত করে পুঁতে দেওয়া হয় কিছু জায়গা অন্তর অন্তর । এক জুম - জমিতে দু - তিন ফসল তোলার পর জুমিয়ারা বেরিয়ে পড়ে নতুন জুমের সন্ধানে ।
লুঙ্গা : দুটি পাহাড় বা টিলার মাঝখানের নীচু সমতলভূমিকে স্থানীয় ভাষায় ‘ লুঙ্গা ’ বলে । লুঙ্গা পললমাটি সমৃদ্ধ বলে স্বভাবতই উর্বর ।
গাইরিং : জুমের ফসল পাহারা দেওয়ার জন্য পাহাড়ে যে - টংঘর ( ভূমি থেকে উঁচুতে মাচাঘর ) তৈরি করা হয় , তাকে উপজাতি ভাষায় ‘ গাইরিং ’ বলে । জুম চাষে কর্মের অবসরে গাইরিং হয়ে ওঠে উপজাতি যুবক - যুবতীদের গীতিদ্বন্দ্বের প্রাণোচ্ছ্বল আসর , যা জুম - জীবনের অন্যতম অঙ্গ ।
ত্রিপুরাব্দ : খ্রিস্টাব্দ ত্রিপুরাব্দের ৫৯০ বর্ষ পূর্ববর্তী । ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে ত্রিপুরাব্দ হল ১৪০২ । খ্রিস্টাব্দ থেকে ৫৯০ বছর বাদ দিলে ত্রিপুরাব্দ পাওয়া যায় বলে অনেকের ধারণা । ত্রিপুরাব্দের শুরু হয়েছিল ৫৯০ খ্রিস্টাব্দ থেকে । তবে এ - ধারণা সঠিক নয় ।
পঞ্চদশ শতকের আগে ত্রিপুরার ঐতিহাসিক অস্তিত্ব সম্পর্কে পণ্ডিতেরা সন্দেহ পোষণ করেন । আকবর ৯৭১ হিজরি সালকে যুগপৎভাবে ৯৭১ ফসলি সনে রূপান্তরিত করেন । ফলে চান্দ্রগণনাশ্রয়ী ৯৭১ হিজরি সাল সৌরগণনাশ্রয়ী ৯৭১ ফসলি খ্রিস্টাব্দ হয়ে যায় ।
ত্রিপুরাব্দ কিংবা বঙ্গাব্দ ফসলি সনের - ই রকমফের মাত্র । নক্ষত্রমাণিক্য ( ১৬৬১-৬৭ খ্রিস্টাব্দ ) তাঁর রাজত্বকালের কোনো একসময়ে আকবরের মতো ত্রিপুরাব্দ প্রবর্তন করেছিলেন ।
রিয়াং বিদ্রোহ : ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে রিয়াং সম্প্রদায়ের লোকেরা রাজকর সংগ্রাহক রিয়াং চৌধুরী বা সর্দারদের বিরুদ্ধে এক বিদ্রোহ সংগঠিত করে । এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন । রতনমণি । ত্রিপুরার ইতিহাসে এটিই ‘ রিয়াং বিদ্রোহ ’ নামে পরিচিত । রিয়াং চৌধুরী বা সর্দাররা রাজপ্রতিভূ এবং রাজার পক্ষ অবলম্বন করেন । তারা রিয়াং সম্প্রদায়ের শাসকও বটে । প্রাক্ ১৯৪৩ - এর বছরগুলিতে প্রাকৃতিক কারণে আদৌ জুমজীবী রিয়াংরা ভালো ফসল পায়নি । অথচ রাজকরের পাওনা মেটানোর জন্য চৌধুরীদের তাগিদের সীমা ছিল না ।
উপযুক্ত কর আদায়ের মধ্যেই ছিল চৌধুরীদের ইনাম বা বখশিশ । হতদরিদ্র রিয়াংরা দুঃসময়েও রেহাই পায় না । চৌধুরীদের তাগিদ অত্যাচারে পর্যবসিত হয় । অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছোয় যে রিয়াংরা চৌধুরী রাজশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় । কঠিন হাতে এই বিদ্রোহ দমন করা হয় ।
গড়িয়া : উপজাতি জুমিয়া সমাজের , বিশেষত ত্রিপুরি , রিয়াং সমাজের আরাধ্য লৌকিক দেবতা গড়িয়া। গড়িয়ার বোধন হয় চৈত্রসংক্রান্তির উষালগ্নে , বিসর্জন বৈশাখের সাত তারিখের সায়াহ্নে । গড়িয়া পুজোর পরেই জুমিয়াদের জুমে শস্যরোপণ শুরু হয়ে যায় । জুমিয়ারা গড়িয়া দেবতার পুজো দেয় জুমে ভালো ফসল ফলনের কামনায় , যার ওপর নির্ভর করে তাদের জীবনের সুখ ও সমৃদ্ধি । বর্ষটি সুখে কাটুক এই প্রার্থনা তাদের একান্ত কাম্য হয় ।
গড়িয়া তাই লৌকিক বর্ষদেবতার পুজো । নাচে - গানে , খুশিতে এবং প্রত্যাশায় গড়িয়া দেবতা পূজিত হন । লৌকিক গড়িয়া নৃত্যে নৃত্যরসিকদের আকর্ষণ বাড়ছে । এই পূজা ত্রিপুরার জাতি - উপজাতি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে মিলনের সেতু রচনা করে চলেছে ।
বিজু উৎসব : এটি চাকমা সমাজে প্রচলিত । চৈত্রসংক্রান্তির মহাবিষুব পর্বে এই বৌদ্ধ আনন্দোৎসবটি অনুষ্ঠিত হয় । বিজু উৎসবে ( মহাবিষুব - বিশু - বিজু ) চাকমা সম্প্রদায়ের লোকেরা ভালো জামাকাপড় পরে এক শোভাযাত্রা বের করেন । প্রত্যেকের হাতে থাকে একটি করে পাখা । শোভাযাত্রার শেষে ভগবান তথাগতের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য দেওয়া হয় , প্রদীপ জ্বালিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয় । অবস্থাপন্ন গৃহস্থরা দানধ্যান করেন । আনন্দ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎসবটি পালিত হয় । ভগবান তথাগত বুদ্ধের কাছে সকলে প্রার্থনা করেন , আগামী বর্ষটি যাতে সুখে - শান্তিতে অতিবাহিত হয় ।
বেণুবন বিহার : বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি একটি পবিত্র তীর্থস্থান । আগরতলার নিকটে অভয়নগর নামক স্থানে এই বৌদ্ধ মন্দিরটি অবস্থিত । বৌদ্ধ ভিক্ষু আর্যমিত্র ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরটির উদ্বোধন করেন । মন্দিরটির চারদিক প্লেটদ্বারা আবৃত ও কারুকার্য দৃষ্টিনন্দন । মন্দির প্রবেশের প্রধান ফটকের দু - পাশে পুষ্পকানন শোভা বর্ধন করে ।
উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান
আগরতলা : ত্রিপুরার রাজধানী । এখানকার বিধানসভা ভবন , মহারাজা বীরবিক্রম কলেজ , লক্ষ্মীনারায়ণবাড়ি , জগন্নাথদেবের মন্দির , বুদ্ধমন্দির , ইন্দিরা গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতাল , গোবিন্দবল্লভ পন্থ হাসপাতাল , রাজভবন , জাদুঘর , রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবন , টেলিফোন ভবন , টাউন হল , আকাশবাণী ভবন , দূরদর্শন কেন্দ্র , রবীন্দ্রকানন , সুকান্ত মিউজিয়াম এগুলি দর্শনীয় স্থান ।
ব্রহ্মকুণ্ড : আগরতলা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বামুটিয়ার নিকটে ব্রহ্মকুণ্ড অবস্থিত । প্রতিবছর নভেম্বর ও এপ্রিল মাসে এখানে মেলা বসে । স্থানটি দর্শনীয় ।
সিপাহিজলা : আগরতলা থেকে মাত্র ১৯ কিলোমিটার দূরে সিপাহিজলায় প্রাকৃতিক পরিবেশে একটি চিড়িয়াখানা গড়ে তোলা হয়েছে । এখানকার জলাশয়ে নৌকোবিহারের ব্যবস্থা আছে । তা ছাড়া আছে শিশুদের খেলনা রেলগাড়ি ।
মেলাঘর : এখানে রুদ্রসাগর নামক জলাশয়ে ‘ নীরমহল ’ প্রাসাদটি দেখবার মতো । ত্রিপুরার সর্বশেষ মহারাজা বীরবিক্রমকিশোরমাণিক্য এই প্রাসাদটি নির্মাণ করিয়েছিলেন । এখানে আলো ও ধ্বনির অনুষ্ঠান অভূতপূর্ব ।
বড়মুড়া : অসম - আগরতলা সড়কের ওপর অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল । এখানে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে একটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে । জায়গাটি এখন একটি শহরের রূপ নিয়েছে ।
উদয়পুর : গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সদর শহর । এখানে ত্রিপুরার মহারাজাদের প্রাচীনকীর্তির অনেক নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায় । এখানকার ত্রিপুরেশ্বরীর মন্দির হিন্দুদের নিকট একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র যা ‘ মাতাবাড়ি ' নামে প্রসিদ্ধ ।
অমরপুর : গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত মহকুমার সদর শহর । এখানে ত্রিপুরার মহারাজা অমরমাণিক্যের রাজধানী ছিল । এখানকার মঙ্গলচণ্ডীর মন্দিরটির বেশ নাম আছে ।
তীর্থমুখ : এটিও একটি পবিত্র তীর্থস্থান । এখানে উত্তরায়ণ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে বিরাট মেলা বসে । এর নিকটেই ত্রিপুরার প্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়েছে ।
গাজীরকোট : সোনামুড়া মহকুমায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান । সমসের গাজি এখানে গোমতী নদীর তীরে বিশাল একটি দুর্গ নির্মাণ করিয়েছিলেন । এই দুর্গটির ধ্বংসাবশেষ আজও দেখতে পাওয়া যায় ।
চেবরী : এখানে ‘ দিব্যোদয় ' নামে একটি কৃষি গবেষণাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে ।
পিলাক পাথর : এখানে প্রাচীন পাথরের অনেক মূর্তি পাওয়া গেছে । মূর্তিগুলির গঠন - নৈপুণ্য খুব সুন্দর বলে জায়গাটি পর্যটকদের নিকট খুব - ই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে । এখানে টেরাকোটা শিল্পের অনেক নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায় ।
বগাফা : এখানে একটি বুদ্ধমন্দির , ব্লক অফিস ও শিল্পকেন্দ্র আছে ।
ধর্মনগর : জুরি নদীর তীরে অবস্থিত । উত্তর ত্রিপুরা জেলার সদর শহর ।
পানিসাগর : এখানে শারীরশিক্ষার একটি আঞ্চলিক মহাবিদ্যালয় আছে ।
জম্পুই : এই জায়গাটি পর্যটকদের নিকট খুব - ই আকর্ষণীয় । জম্পুই - এর কমলালেবু খুব বিখ্যাত ।
Full Form About Tripura, Tripura All Full Form Available, Full Form List, Top Full Form, 150+ Full Form About Tripura
A.A.R → Assam Agartala Road
A.B.T.C → Agartala Basic Training College
A.C.R. → Annual Confidential Report
A.D.C. → Autonomous District Council
A.G.M.C. → Agartala Government Medical College
A.P.L. → Above Poverty Level
AT.T.A. → All Tripura Teachers' Association
ATT.F. → All Tripura Tribel Force
B.A.C. → Block Advisory Committee
B.A.D.P. → Border Area Development Project
B.B.A. → Bachelor in Business Administration
B.B.M.C. → Bir Bikram Memorial College
B.C.A. → Bachelor in Computer Application
B.D.I.S. → Blood Donor Information System
B. D.C. → Block Development Committee
B. D. O. → Block Development Officer
B.Ed. → Bachelor in Education
B.P.L. → Below Poverty Level
B.S.C.L. → Birchandra State Central Library
BT.C. → Basic Training College
C.A.M.C. → Computerisation of Agartala Municipal Council
C. B. I. → Central Bureau of Investigation
C.D.P.O. → Child Development Project Officer
C.I.D. → Criminal Investigation Department
C.J.M. → Chief Judicial Magistrate
C.M. → Chief Minister
C.P.I. →Communist Party of India
C.P.I. → (M) Communist Party of India (Marxist)
C.P.F. → Contributory Provident Fund
C.S. → Chief Secretary
C.T.T.I. → Craft Teachers Training Institute
D.C.M. → Deputy Collector & Magistrate
D.H.H.S. → Directorate of Handloom, Handicrafts and Sericulture
D.H.S. → Director of Health Service
D.H.E. → Director of Higher Education
D.I.B. → District Intelligence Branch
D.I.C. → District Industries Centre
D.I.E.T. → District Institute of Education & Training
D.M. → District Magistrate
D.O.E.C.S. → Department of Electronics and Communication Society
D.P.C. → Departmental Promotion Committee
D.R.D.A. → District Rural Development Agency
D.S.E. → Director of School Education
D.S.T. → Department of Science & Technology
E.C.G. → Electro Cardiogram
E.M. → Education Minister
F.C.I. → Food Corporation of India
F.D.A. → Forest Department Agency
G.B.P.H. → Govind Ballav Panth Hospital
G.C.B.S. → Girl Child Benefit Scheme
G.D.C. → Government Degree College
G.P.F. → General Provident Fund
I.C.A.T. → Information Cultural Affairs and Tourism
I.C.D.S. → Integrated Child Development Service
I.C.D.P. → Integrated Child Development Project
I.G.P. →Inspector General of Police
I.G.M.H. →Indira Gandhi Memorial Hospital
I.G.N.O.U. →Indira Gandhi National Open University
I.P.F.T. → Indigenous People Front of Tripura
I.R.D.P. → Integrated Rural Development Programme
I.S.D.W. → Innovative Scheme for Drinking Water
L.O.C. → Letter of Credit
L.T.C. → Leave Travel Concession
M.B.B.C. → Maharaja Bir Bikram College
M.C.A. → Master Degree in Computer Application
M.L.A. → Member of Legislative Assembly
M.P.K.B. → Mahila Prodhan Kshetriya Bachat Yojana
M.T.B. → (Girls') Maharani Tulsibati (Girls')
M.T.F. → Mobile Task Force
N.A.A. → Notified Area Authority
N.E.I.I.P. → North-East Industrial and Investment Policy
N.E.R.A.M.C. →North Eastern Regional Agricultural Marketing Corporation
N.E.R.I.S.T. → North Eastern Regional Institute of Science and Technology
N.F.W.P. → National Food for Work Programme
N.L.C.P.R. → Non Lapsable Central Pool of Resources
N.L.F.T. → National Liberation Front of Tripura
N.L.M. → National Literacy Mission
N.M.B.S. → National Maternity Benefit Scheme
N.R.E.G.A. → National Rural Employment Guarantee Act
N.P.N.S.P.E. → National Programme for Nutritional Support Primary Education
O.B.C. → Other Backward Class
P.A.C.S. →Primary Agricultural Co-opt. Society
P.D.F. → Panchayat Development Fund
P.D.M.S. → Public Distribution Monitoring System
P.G.D.R.D. → Post Graduate Diploma in Rural Development
P.H.C. → Primary Health Centre
P.L.P. → Post Literacy Programme
P.M.G.S.Y. → Prime Minister Gram Sarak Yojana
P.M.S. → Post Matric Scholarship/Pre-Matric Scholarship
P. R.T. I. → Panchayat Raj Training Institute
P.T.C. → Police Training College
P.W.D. → Public Works Department
R.A.Y. → Rajib Gandhi Abas Yojana
R.C.S. → Register of Co-operative Societies.
R.M.S. → Railway Mail Service
S.A. → Sukanta Academy
S.A.A.R.C. → The South Asian Association for Regional Co-operation
S.A.S. → Standardies Agency System
S.B. → Special Branch
S.B.I. → State Bank of India
S.D.M. → Sub-Divisional Magistrate
S.E.B.I. → Securities and Exchange Board of India
S.E.D.A. → Small Farmers Development Agency
S.I.P.A.R.D. → State Institute of Public Administration and Rural Development
S.S.A. → Sarba Shiksha Abhijan
S.T.D. → Subsriber Trunk Dialing
S.W.M.A. → Standard of Weight and Measure Act
T.A.C.S. → Tripura Aids Control Society
T.A.M.C.S. → Tripura Apex Marketing Co-operative Society
T.A.P. → Tripura Armed Police
T.A.S.E.C.C. → Tripura Autonomous and Semi-government Employees Co- ordination Committee
T.B.C.S. → Tripura Blindness Control Society
T.B.S.E. → Tripura Board of Secondary Education
T.B.T.C.S. → Tripura Blood Transfusion Control Society
T.C.L.D.B.L. → Tripura Co-operative Land Development Bank Ltd.
T.C.R.I.M. → Tribal Cultural Research Institute and Museum
T.C.S. → Tripura Civil Service
T.E.C. → Tripura Engineering College
T.E.R.C. → Tripura Electricity Regulatory Commission
T.F.A. → Tripura Football Association
T.F.D.P.C. → Tripura Forest Development Plantation Corporation Limited
T.F.P.F. → Tripura Forest Protection Force
T.G.E.A. → Tripura Govt. Employees Association
T.G.M. → Tripura Government Museum
T.G.P. → Tripura Government Press
T.G.T.A. → Tripura Government Teachers' Association
T.H.D.C. → Tripura Horticulture Development Corporation
T.H.H.D.C. → Tripura Handloom & Handicrafts Development Corporation
T.H.S. → Tripura Health Service
T.I.T. → Tripura Institute of Technology
T.I.D.C. → Tripura Industrial Development Corporation
T.J.M.L. → Tripura Jute Mills Limited
T.K.V.I.B. →Tripura Khadi and Village Industries Board
T.L.A. → Tripura Legislative Assembly
T.M.P.C.U. → Tripura Milk Producers' Co-operative Union
T.N.V. →Tripura National Volunteers
T.P.I. →Tripura Polytechnic Institute
T.PS. → Tripura Police Service
T.PS.C. → Tripura Public Service Commission
T.P.R.T.I. → Tripura Panchayat Raj Training Institute
T.R.E.D.A. → Tripura Renewable Energy Development Agency
T.R.P.C. → Tripura Rehabilitation Plantation Corporation Ltd
T.R.T.C. → Tripura Road Transport Corporation Ltd
T.S.C.C.D.C. → Tripura Scheduled Caste Co-operative Development Corporation
T.S.C.B. → Tripura State Co-operative Bank
T.S.C.S.T. → Tripura State Council for Science and Technology
T.S.E.C.L. → Tripura State Electricity Corporation Ltd.
T.S.I.C. → Tripura Small Industries Corporation
T.S.P.C.B. → Tripura State Pollution Central Board
T.S.R. → Tripura State Rifles
T.S.T.C.D.C. → Tripura Scheduled Tribes Co-operative Development Corporation
T.S.L.C.S. → Tripura State Leprosy Control Society
T.T.A. → Tripura Tribal Area
T.T.A.A.D.C. → Tripura Tribal Areas Autonomous District Council
T.T.D.C. → Tripura Tea Development Corporation
T.U. → Tripura University
U.K. → Uma-Kanta (Academy)
West Bengal General Knowledge, West Bengal GK in Bengali, West Bengal GK MCQ, West Bengal Quiz in Bengali, West Bengal Quiz Questions and Answers, West Bengal GK
১. পশ্চিমবঙ্গের আয়তন কত ?
→ ৮৮,৭৫২ বর্গকিলোমিটার । পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কিত তথ্য।
২. পশ্চিমবঙ্গের লোকসংখ্যা কত ?
→ ৯ কোটি ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ১১৫ জন ( ২০১১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুযায়ী ) ।
৩. প্রশাসনের সুবিধার জন্য পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ক - টি বিভাগ রয়েছে ?
→ পাঁচটি— ( ক ) প্রেসিডেন্সি , ( খ ) বর্ধমান , ( গ ) জলপাইগুড়ি , ( ঘ ) মালদহ ও ( ঙ ) মেদিনীপুর ।
৪. পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ক - টি জেলা রয়েছে ?
→ ২৩ টি ।
৫. আয়তনে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড়ো জেলা কোন্টি ?
→ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ।
৬. পশ্চিমবঙ্গের লোকসভার সদস্যসংখ্যা কত জন ?
→ ৪২ জন ।
৭. পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার সদস্যসংখ্যা কত জন ?
→ ১৭ জন ।
৮. পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার সদস্যসংখ্যা কত জন ?
→ ২৯৪ জন ।
৯. বাংলা ভাষায় প্রথম উপন্যাস কোনটি ?
→ ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দে ক্যাথারিনা ম্যালেন্স নামে এক ইংরেজ মহিলা ‘ ফুলমণি ও করুণার বিবরণ ’ নামে যে উপন্যাসখানি লেখেন , সেটিই বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস ।
১০. পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নাম কী কী ?
→ পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হল— কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, সিধু - কানুহ বিশ্ববিদ্যালয়, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিববঙ্গ স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ আইন বিশ্ববিদ্যালয়, কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়, ডায়মন্ডহারবার ওমেনস্ বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেট অব শ্রীরামপুর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়,।
১১. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি ?
→ ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মে শ্রীরামপুরের মিশনারিরা ' সমাচার দর্পণ ' নামে যে সংবাদপত্রটি প্রকাশ করেন , সেটিই বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্র ।
১২. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মুদ্রিত বই কোনটি ?
→ ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে হ্যালহেড রচিত বাংলা ব্যাকরণ ।
১৩. বাংলা নাটক প্রথম কোন্ সময়ে অভিনীত হয় ?
→ গেরাসিম লেবেদফ নামে রুশ দেশের এক পর্যটক ১৭৯৫ খ্রিস্টাব্দে ‘ লাভ ইজ দ্য বেস্ট ডক্টর ’ এবং ‘ দ্য ডিসগাইস ’ নামে দুখানি ইংরেজি নাটক বাংলায় অনুবাদ করিয়ে কলকাতায় অভিনয়ের ব্যবস্থা করেন । এ দুটিই বাংলা নাটকের প্রথম অভিনয় ।
১৪. বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক নাটক কে রচনা করেন ?
→ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে রামনারায়ণ তর্করত্ন ‘ কুলীনসর্বস্ব ' নামে প্রথম বাংলা নাটক রচনা করেন ।
১৫. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যপত্র কোনটি ?
→ ‘ বঙ্গদর্শন ' , ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় ।
১৬. অবিভক্ত বাংলায় জনসাধারণের জন্য প্রথম পাঠাগার কোন্টি ?
→ ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরি । ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয় ।
১৭. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্রের নাম কী ?
→ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘ সংবাদ প্রভাকর ’ । পত্রিকাটি ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের ২৮ জানুয়ারি প্রথম প্রকাশিত হয় ।
১৮. অবিভক্ত বাংলায় কবে বৈদ্যুতিক আলো প্রথম ব্যবহৃত হয় ?
→ ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০ মে কলকাতায় ।
১৯. অবিভক্ত বাংলায় কবে প্রথম টেলিফোন চালু হয় ?
→ কলকাতায় ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে ।
২০. কত খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় হাইকোর্ট স্থাপিত হয় ?
→ ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দে ।
২১. অবিভক্ত বাংলায় টেলিগ্রাফপ্রথা কবে চালু হয় ?
→ ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে , কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার পর্যন্ত ।
২২. পশ্চিমবঙ্গে মোটরগাড়ির কারখানা কোথায় অবস্থিত ?
→ উত্তরপাড়ার হিন্দমোটর - এ ।
২৩. কলকাতায় প্রথম কবে ট্রামগাড়ি চালু হয় ?
→ কলকাতায় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রামগাড়ি চালু হয় ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে । বৈদ্যুতিক ট্রামগাড়ি চালু হয় ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে ।
২৪. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় বন্দর আছে ?
→ কলকাতা ও হলদিয়ায় ।
২৫. হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন কী কারণে বিখ্যাত ?
→ এটি একটি বৃহৎ রেলওয়ে জংশন । এখান থেকে অনেকগুলি দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে ।
২৬. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় পাতালরেল চালু আছে ?
→ কলকাতায় ।
২৭. বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম কোথায় অবস্থিত ?
কলকাতায় ।
২৮. বেলুড়মঠ কে প্রতিষ্ঠা করেন ?
→ স্বামী বিবেকানন্দ ।
২৯. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো চা উৎপন্ন হয় ?
→ দার্জিলিং জেলায় ।
৩০. পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নদী কোনটি ?
→ গঙ্গা নদী ।
৩১. পশ্চিমবঙ্গের নবতম জেলা আলিপুরদুয়ারের কবে সৃষ্টি হয় ?
→ ২৫ জুন , ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে ।
৩২. পশ্চিমবঙ্গের ২২ তম ও ২৩ তম জেলা হিসেবে পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা দু - টি কবে সৃষ্টি হয়েছে ?
→ ৭ এপ্রিল ২০১৭ ।
৩৩. কালিম্পং জেলার প্রশাসনিক বিভাগটির নাম ?
→ জলপাইগুড়ি ।
৩৪. পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা দু - টির প্রশাসনিক বিভাগটির নাম কী ?
→ বর্ধমান
৩৫. জনসংখ্যার দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম জেলা কোনটি ?
→ উত্তর ২৪ পরগনা ।
৩৬. সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত GST ( Goods & Servies Tax ) সংক্রান্ত এমপাওয়ারড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের কোন্ মন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন ?
→ অমিত মিত্র ।
৩৭. পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলাটির কবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ?
→ ৪ এপ্রিল ২০১৭ ।
৩৮. ভারতে প্রথম কোন্ নদীর তলদেশ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ইষ্ট ওয়েষ্ট মেট্রো রেলওয়ে চালু হয়েছে ?
→ গঙ্গা নদী ।
৩৯. ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিবঙ্গের কোন্ দুটি শহর হেরিটেজ শহরের মর্যাদা পেয়েছে ?
→ নবদ্বীপ ও কোচবিহার ।
৪০. পশ্চিমবঙ্গের ২১ তম জেলা হিসেবে কালিম্পং জেলাটির কবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ?
→ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ।
৪১. পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে বহিরাষ্ট্রের কোন দেশের সীমানা সবথেকে বেশি ?
→ বাংলাদেশ ।
৪২.পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ভারতের কোন রাজ্যের সীমানা সবথেকে বেশি ?
→ ঝাড়খণ্ড ।
৪৩. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ জেলাটি ধ্বসপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত ?
→ দার্জিলিং ।
৪৪. পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম দুটি জাতীয় উদ্যানের নাম কী ?
→ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান ও গোরুমারা জাতীয় উদ্যান ।
৪৫. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ শহরকে উত্তর - পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয় ?
→ শিলিগুড়ি ।
৪৬. পশ্চিমবঙ্গে কলকাতার ইষ্ট - ওয়েস্ট মেট্রো কত কিলোমিটার দীর্ঘ ?
→ ১৬.৬ কিলোমিটার ।
৪৭. ইষ্ট - ওয়েষ্ট মেট্রো প্রকল্পে গঙ্গা নদীর তলদেশ দিয়ে কত মিটার রেল টানেল নির্মিত হয়েছে ?
→ ৫০২ মিটার ।
৪৮. ভারতে প্রথম পশ্চিমবঙ্গের গর্ব ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের অধীন জলের নীচ দিয়ে মেট্রোরেল চালু হওয়ার কথা যে সময়সীমার মধ্যে ?
→ ২০২২ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে ।
৪৯. পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তরবঙ্গে পূর্বতম নদীর নাম কী ?
→ সঙ্কোশ ।
৫০. সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের কোন্ প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘের সেরা শিরোপা অর্জন করেছে ?
→ কন্যাশ্রী প্রকল্প ।
৫১. পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনিক বিভাগের অধীনে জেলাগুলির নাম লেখো ।
→ পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ৫ টি প্রশাসনিক বিভাগের অধীনে ২৩ টি জেলা রয়েছে ।
প্রেসিডেন্সি বিভাগের জেলাগুলি হল— কলকাতা , হাওড়া , নদীয়া , উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ।
বধমান বিভাগের জেলাগুলি হল — বীরভূম , হুগলি , পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব বর্ধমান ।
জলপাইগুলি বিভাগের জেলাগুলি হল — আলিপুরদুয়ার , কোচবিহার , দার্জিলিং , জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং ।
মালদহ বিভাগের জেলাগুলি হল — মালদহ , উত্তর দিনাজপুর , দক্ষিণ দিনাজপুর ও মুরশিদাবাদ ।
মেদিনীপুর বিভাগের জেলাগুলি হল — বাঁকুড় , ঝাড়গ্রাম , পুরুলিয়া , পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর ।
৫২. পশ্চিমবঙ্গের প্রবাদপ্রতিম টলিউড অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের দেহাবসান কৰে ঘটে ?
→ ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর ।
৫৩. কলকাতা পুলিশ সম্প্রতি গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য যে অ্যাপটি চালু করেছে তার নাম কী ?
→ ‘ বন্ধু ’ ।
৫৪. পশ্চিমবঙ্গের বনদফতর কোন্ হেল্পলাইন নম্বরটি সম্প্রতি চালু করেছে ?
→ ১৯২৬ ।
৫৫. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ শহরে ঝুলন্ত রেস্তরা তৈরি হয়েছে ?
→ নিউটাউনে ।
৫৬. ফ্রান্স থেকে আসা আটটি রাফাল যুদ্ধবিমানের মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাচের তিনটি যুদ্ধবিমান পশ্চিমবঙ্গের কোন স্থানে রাখা হয়েছে ?
→ হাসিমারা এয়ারফোর্স স্টেশনে ।
৫৭. ভারতে প্রথম জলের তলদেশ দিয়ে রেল ট্যানেল পশ্চিমবঙ্গের ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পটির কাজ কোন দু - টি সংস্থা সম্পন্ন করছে ?
→ কলকাতা মেট্রো রেলওয়ে কর্পোরেশন লিমিটেড এবং এফকনস ট্রান্সটুনেলসট্রয় নামে দুটি সংস্থা ।
৫৮. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ চলচ্চিত্র অভিনেতা ( ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ১০ জুন ) ফ্রান্সের শ্রেষ্ঠ অসামরিক সম্মান ‘ লিজিয়ন ডি অনার ’ - এ ভূষিত হয়েছেন ?
→ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ।
৫৯. ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম কোন্ ক্ষেত্রে ‘ স্মার্ট কার্ড ’ চালু করে ?
→ পরিবহনে ।
৬০. পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনে গতি আনতে সরকারি এসি বাসে কী নামকরণ করে রেডিয়ো স্টেশন চালু হয়েছে ?
→ সুরধারা ।
৬১. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ অভিনেতা সম্প্রতি ( 2020 ) ইন্ডিয়া ইনটারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব বোস্টন ' - এ ' Josef : Born In Grace ' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেছেন ?
→ ভিক্টর ব্যানার্জী ।
৬২. পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি কোন্ জলে খাঁচায় মাছ চাষ শুরু হয়েছে ?
→ মিষ্টি জলে ।
৬৩. শতবর্ষ প্রাচীন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবটি কোন নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করেছে ?
→ শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন ।
৬৪. কোন্ সংস্থাটি পশ্চিমবঙ্গে সর্বপ্রথম ব্যাটারিচালিত ই - রিকশা বাজারে এনেছে ?
→ মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা ।
৬৫. পশ্চিমবঙ্গের কোথায় সর্বপ্রথম ফসিল পার্ক গড়ে উঠেছে ?
→ বীরভূমের ইসলামবাজারে ।
৬৬. পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় সর্বপ্রথম সৌরচালিত টোটো চালু হয়েছে ?
→ নদীয়াতে ।
৬৭. পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি কোন রাজ্য সরকারের সঙ্গে ‘ সাগর কবচ ' নামে যৌথ নিরাপত্তা মহড়ার আয়োজন করেছে ?
→ ওড়িশা ।
৬৮. ২০২০ খ্রিস্টাব্দের কততম ‘ আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা ’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে ?
→ ৪৪ তম ।
৬৯. ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জানুয়ারি – ৯ ফেব্রুয়ারি ‘ আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা ’ পশ্চিমবঙ্গের কোন্ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ?
→ কলকাতার সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক মেলা গ্রাউন্ড ।
৭০. কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্রথম কবে শুরু হয় ?
→ ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ।
৭১. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ স্টেডিয়ামে ভারতে সর্বপ্রথম অনুর্ধ্ব -১৭ বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচের দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ?
→ কলকাতার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ।
৭২. ভারতীয় রেল বোর্ড কোথায় সর্বপ্রথম রেলওয়ে কর্মচারীদের উপস্থিতি নথিভুক্ত করার জন্য আধার নির্ভর বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম চালু করেছে ?
→ কলকাতায় মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ ।
৭৩. দোতলা বাস সরকারিভাবে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুনরায় রাজ্যে কবে চালু হয়েছে ?
→ ১৩ অক্টোবর , ২০২০ ।
৭৪. ‘ গঙ্গামিশন প্রকল্প ’ - এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার কত পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছে ?
→ ৩৪ কোটি টাকা ।
৭৫. ২০২০ খ্রিস্টাব্দে দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান সম্মান ‘ শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার ' ভূবিজ্ঞানে খড়গপুরের কোন্ আইআইটির অধ্যাপক অর্জন করেছেন ?
→ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ।
৭৬. পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে রাজ্য বাজেটে কত পরিমাণ অর্থের ব্যয়বরাদ্দ নির্ধারণ করেছেন এবং ক - টি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছেন ?
→ আড়াই লক্ষ কোটি টাকার ব্যয়বরাদ্দ ধরে ১১ টি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছেন ।
৭৭. বাংলা তথা ভারতের কিংবদন্তি সম্প্রতি প্রয়াত ক্রীড়াবিদ চুনী গোস্বামীর প্রকৃত নাম কী ( তিনি ফুটবল , হকি ও ক্রিকেট খেলার তারকা ছিলেন ) ?
→ সুবিমল গোস্বামী ।
৭৮. সম্প্রতি প্রয়াত বাংলা তথা ভারতের কিংবদন্তি ফুটবলার পি কে ব্যানার্জীর প্রকৃত নাম কী ?
→ প্রদীপকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ।
৭৯. ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ ( ফুটবল ) প্রতিযোগিতায় কোন্ দলটি চেন্নাই এফ সি কে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে ?
→ আতলেটিকো দি কলকাতা ।
৮০. পশ্চিমবঙ্গের কোন্ জাতীয় উদ্যানে সম্প্রতি বড়োসড়ো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ?
→ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান ।
৮১. করোনো ভাইরাসের প্রতিরোধী ওষুধ হিসেবে কোন্ ওষুধ সংস্থাটি সম্প্রতি হাইড্রক্সিক্লোরাকুইন তৈরির ছাড়পত্র দিয়েছে ?
→ বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস ।
৮২. ২০২০ খ্রিস্টাব্দে কোন্ ফুটবল ক্লাবটি আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২০২১ - এর এএফসি কাপের গ্রুপ পর্যায়ে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ অর্জন করেছে ?
→ মোহনবাগান ক্লাব ।
৮৩. পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোন প্রকল্পটি সম্প্রতি চালু করেছে ( এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লক্ষ তরুণ সম্প্রদায়কে স্বল্পমেয়াদি ঋণপ্রদান করা হবে ) ?
→ কর্মসাথি প্রকল্প ।
৮৪. পশ্চিমবঙ্গ সরকার আত্মনির্ভর ভারত গড়ার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান করার জন্য কোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে ?
→ সেফ স্ক্যান ( Self Scan ) ।
৮৫. ২০২০ খ্রিস্টাব্দে রাজ্যের কোন্ আই আই টি প্রতিষ্ঠান গান্ধিয়ান ইয়ং টেকনোলজিক্যাল ইনোভেশন পুরস্কার ’ এ ভূষিত হয়েছে ?
→ খড়গপুর আই আই টি ।
৮৬. পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য সম্প্রতি কোন্ অভিযান চালু করেছেন ?
→ পথশ্ৰী অভিযান ।
৮৭. কলকাতার রিয়েল এস্টেট কোম্পানি বেঙ্গল পিয়ারলেস হাউজিং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড - এর বিপণন দূত হিসেবে সম্প্রতি কে নিযুক্ত হয়েছেন ?
→ ভারতের বিশিষ্ট ক্রিকেটার তথা বিসিসিআইয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ।
৮৮. পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রের উন্নয়ন জোরদার করার জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন কোন্ সংস্থার সঙ্গে সম্প্রতি মউ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ?
→ ইউনাইটেড কিংডম ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিল ।
৮৯. অজয় চক্রবর্তী রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে কোন বিভাগে ভারত সরকার প্রদত্ত ‘ পদ্মভূষণ পুরস্কার ২০২০ ' - এ ভূষিত হয়েছেন ?
→ শিল্পকলা ।
৯০. রাজ্যের কোন ব্যক্তি শিক্ষা ও সাহিত্য বিভাগে ভারত সরকার প্রদত্ত ‘ পদ্মশ্রী ' সম্মানে ভূষিত হয়েছেন ?
→ কাজি মাসুম আলতার ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন