সংবিধানের দর্শন বলতে কী বোঝায়?
সংবিধান কতকগুলি আইনের সমষ্টি নয়। এই আইনের সঙ্গে মূল্যবোধ, নৈতিকতা ইত্যাদিও জড়িত থাকে। এ কথা ঠিক যে, সব আইনের মধ্যে মূল্যবোধ, নৈতিকতা খুঁজতে যাওয়াটা ঠিক নয়। কারণ, আইনের একটি আইনগত দিক থেকে যায়। কিন্তু বেশিরভাগ আইনের মধ্যেই মূল্যবোধ লুকিয়ে থাকে। আমাদের সংবিধানের আইনগুলির মধ্যেও একটি নৈতিক লক্ষ্য লুকিয়ে আছে। সুতরাং সংবিধানের রাজনৈতিক দর্শনের বিষয়টিও আমাদের বুঝতে হবে।
প্রথমত, আমাদের বুঝতে হবে সংবিধানের ধারণাগত কাঠামোটিকে। যেমন-অধিকার, নাগরিকতা, গণতন্ত্র ইত্যাদির মতো ধারণাগত নিয়মগুলিকে।
দ্বিতীয়ত, আমাদের বুঝতে হবে রাজনীতি সমাজের লক্ষ্য সংবিধানকে ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সর্বশেষ ভারতীয় সংবিধানকে বুঝতে হবে গণপরিষদের বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, যার মধ্যে দিয়ে সংবিধানের তত্ত্বগত বিষয়গুলি দাঁড়িয়ে আছে।
গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মাধ্যম হিসেবেসংবিধান
সংবিধানের প্রয়োজন ক্ষমতার প্রয়োগকে নিয়ন্ত্রিত করার জন্য। আধুনিক রাষ্ট্র হল প্রচণ্ড পরিমাণে শক্তিশালী বা ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র। এই আধুনিক রাষ্ট্র ক্ষমতার একচেটিয়া দখল ও প্রয়োগের ওপর বিশ্বাসী। যার ফলে বর্তমানের এই চরম ক্ষমতাপ্রবণ রাষ্ট্র যদি ভুল হাতে পড়ে যায় তাহলে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ অবশ্যম্ভাবী। যদি রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানটির সৃষ্টি হয়ে থাকে আমাদের নিরাপত্তা ও ভালোভাবে রাখার জন্য তাহলে ভুল হাতে পড়ে রাষ্ট্রের প্রকৃত উদ্দেশ্যটি মাঠে মারা যাবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে এটি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হবে। ফলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ যে-কোনো জনগণ করতে পারে। সুতরাং, সাংবিধানিক আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শৃঙ্খলিত প্রয়োগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। না হলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অস্বাভাবিক অপপ্রয়োগের ফলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে। সংবিধান সর্বদা শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক উপায়ে সামাজিক পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলে থাকে।
আমাদের কেন গণপরিষদে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন হল?
সারা পৃথিবী যখন উন্নতির চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তখন আমাদের প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা ফেলে আসা দিনগুলির দিকে তাকাব। এটা একমাত্র স্বীকৃত ঐতিহাসিকের গুরুদায়িত্ব। তাঁদের কাজ হল অতীতকে ফিরে দেখা। ছাত্র হিসেবে আমাদের যদি মূল বিষয় রাজনীতি হয়ে থাকে তাহলে কেন সংবিধান রচয়িতাদের উদ্দেশ্য ও চিন্তাধারা সম্পর্কে আমাদের জানার আগ্রহ থাকবে? ভারত উন্নয়নশীল দেশ। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হয়। সংবিধান রচয়িতাগণ সে সময়ের উপযোগী হিসেবে সংবিধান রচনা করেছিলেন। বর্তমান সময় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। যদি ভালোর জন্য অতীতকে ভুলে গেলে ক্ষতির কিছু নেই। কিন্তু ভালো করার পেছনে যদি বাধা কিংবা হুমকির সম্মুখীন হয় তাহলে এদেরকে ভুলে গেলে ক্ষতি হতে পারে। এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য গণপরিষদে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন। কারণ, আমাদেরকে সংবিধানের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে হবে।
আমাদের সংবিধানের রাজনৈতিক দর্শন কী?
আমাদের সংবিধানের রাজনৈতিক দর্শনটি কী? তা এককথায় - বোঝানো সম্ভব নয়। অনেকগুলি মূলনীতি বা ধারণার সমন্বয়ে রাজনৈতিক দর্শন গড়ে উঠেছে। যেমন-আমাদের সংবিধান হল উদারনৈতিক, গণতান্ত্রিক, সাম্যবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ এবং যুক্ত- রাষ্ট্রীয়। আবার সম্প্রদায়গত মূল্যবোধের ব্যাপারে যুক্ত, ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘুদের প্রতি স্পর্শকাতর এবং ঐতিহাসিক- ভাবে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মানুষদের প্রতি দায়বদ্ধ। সংক্ষেপে, ভারতের সংবিধান স্বাধীনতা, আমাদের সামাজিক ন্যায় ও জাতীয় ঐক্যের প্রতি দায়বদ্ধ। ভারতীয় সংবিধানের মধ্যে নিহিত রাজনৈতিক দর্শনের মূল নীতিগুলি হল-
ব্যক্তি স্বাধীনতা
ভারতের সংবিধান ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার প্রতি দায়বদ্ধ। এই দায়বদ্ধতা হঠাৎ করে একদিনে আসেনি। এটি হল নিরন্তর এক দীর্ঘদিনের বৌদ্ধিক আন্দোলনের ফলশ্রুতি। যার সূত্রপাত হয়েছিল রামমোহন রায়ের ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার পক্ষে বিভিন্ন বক্তব্যের মধ্যদিয়ে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে এই লড়াইয়ের সূত্রপাত। স্বাধীনতার পরবর্তীকালে সংবিধানে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যদিয়ে যার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটেছে। ভারতের সংবিধানের মধ্যদিয়ে উদারনৈতিক চরিত্রের প্রকাশ বেশ ভালোভাবেই ঘটেছে বলা যায়। মৌলিক অধিকারের মধ্যে দিয়েই ব্যক্তিগত স্বাধীনতার জায়গাটিকে সংবিধান খুব যত্ন- সহকারে রক্ষা করেছে এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
সামাজিক ন্যায়
আমাদের সংবিধানে শুধুমাত্র উদারনৈতিক দিকটির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বরং সামাজিক ন্যায়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবেকি উদারনীতিবাদ ব্যক্তির অধিকারের ওপর অধিক গুরুত্ব দেয় সামাজিক ন্যায় ও গোষ্ঠীর মূল্যবোধের থেকে। কিন্তু ভারতের সংবিধান সামাজিক ন্যায়ের দিকটিকে অবহেলা করেনি। তার সবচেয়ে বড়ো উদাহরণ হল সংবিধানে তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসহ সংরক্ষণের সুবিধা প্রদানের কথা বলা যায়। যাতে করে দীর্ঘদিন অন্যায়, অবিচার ও বঞ্চনার শিকার হওয়া এইসব মানুষগুলিকে ন্যায়বিচার দেওয়া সম্ভব হয়।
বৈচিত্র্যতা এবং সংখ্যালঘু অধিকারের প্রতি সম্মান
ভারত হল বিভিন্ন ভাষাভাষি, সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাসের দেশ। বহু বৈচিত্র্য এখানে লক্ষ করা যায়। বৈচিত্র্য রয়েছে সম্প্রদায়ের মধ্যেও। সেখান থেকে যাবতীয় দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এক সম্প্রদায় অন্যান্য সম্প্রদায়ের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। যাবতীয় সুযোগসুবিধা কুক্ষিগত করতে চায়। কিন্তু ভারতের সংবিধানে দেশের সব ধরনের সম্প্রদায়ের মানুষকে সমান অধিকার প্রদান করেছে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের অধিকারগুলিকেও সংরক্ষিত করেছে, যাতে দেশের প্রতিটি ভিন্ন সংস্কৃতির সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা সমান সুযোগসুবিধা ভোগ করতে পারে।
ধর্মনিরপেক্ষতা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কহীনতা। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে ধর্মকে ব্যক্তির ব্যাক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করা হয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই বা রাষ্ট্রের কোনো ধর্মীয় পরিচিতি থাকে না। কিন্তু এই ধারণাটি হল পাশ্চাত্যের ধারণা। আমাদের ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে পাশ্চাত্যের অর্থে ব্যবহার করা হয়নি। ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে বোঝানো হয়েছে রাষ্ট্রে কোনো ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করবে না। সব ধর্মই রাষ্ট্রের চোখে সমান। রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মের প্রতি পক্ষপাত প্রদর্শন করবে না। রাষ্ট্রের মধ্যে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে, প্রচার করবে, ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করবে।
ধর্মীয় গোষ্ঠীর অধিকার
ভারতের সংবিধানে সব ধর্মের মানুষদের সমান অধিকার দিয়েছে। প্রত্যেক ভারতীয়দের তাদের ধর্মশিক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি করার অধিকার দেয়। অর্থাৎ, বলা যায়, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার অর্থ ব্যক্তি এবং সম্প্রদায় উভয়েরই ধর্মীয় স্বাধীনতা আছে।
রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের ক্ষমতা
কিছু কিছু বিষয় আছে রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ না করলে সমাধান সম্ভব নয়। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ। এই রকম হস্তক্ষেপ কখনই নেতিবাচক নয়। তবে রাষ্ট্র বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়কে স্বাধীনতা এবং সাম্যের মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেয়। আবার বাধাও দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
সর্বজনীন ভোটাধিকার
সর্বজনীন ভোটাধিকারের স্বীকৃতির মধ্যে দিয়ে দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ভোটাধিকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ উপায়ে মানুষের সরকার পরিবর্তনের পথকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন ভোটাধিকার হল জাতীয়তাবাদের একটি সুনিশ্চিত শর্ত। স্বাধীনতার পর সংবিধানে স্থির হয় 21 বছর বয়স্ক সব নাগরিক ভোট দিতে পারবে। এরপর 1989 খ্রিস্টাব্দে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ভোটাধিকারের বয়ঃসীমা 21 থেকে কমিয়ে 18 বছর করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা
ভারতের সংবিধানে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে স্থান দেওয়া হয়েছে। যদিও - সংবিধান প্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যেই এককেন্দ্রিকতার বা কেন্দ্রপ্রবণতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য। বিভিন্ন অঞ্চলের ভিন্ন ভিন্ন স্বত্তার জন্য ভারতের বিশেষ কিছু অঞ্চল যেমন-জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির জন্য পৃথক সুযোগসুবিধা সংবিধানে রাখা হয়েছে। এগুলি সবই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উদাহরণ হিসেবে বলা যায়। কেন্দ্র রাজ্যের জন্য পৃথক পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রবাদের কথাই স্বীকার করে।
জাতীয় পরিচিতি
সংবিধান সবসময়ই একটি সাধারণ জাতীয় পরিচিতিকে তৈরি করতে চেয়েছে। ভারত বিশালাকৃতি হওয়ার জন্য সবসময় একটা আঞ্চলিক মানসিকতা তৈরি হয়েছে যা দেশের পরিচিতি, ও নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক প্রবণতা। তাই দেশের সংবিধান সবসময় জনগণের মধ্যে একটা জাতীয় পরিচিতি গড়ে তুলতে সদাতৎপর থাকে। ভারতের মতো দেশে বিভিন্ন পরিচিতি রয়েছে জনগণের, অঞ্চলগত, ধর্মীয় ইত্যাদি। সুতরাং আমাদের সংবিধান সবকিছুর মধ্যে একটা ভারসাম্য রক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
পদ্ধতিগত সাফল্য
ভারতের সংবিধানে কিছু পদ্ধতিগত সাফল্য লক্ষ করা যায়। যথা-
[i] সংবিধানের রূপকারগণ সকলের মতামতকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের বর্তমান অবস্থান পরিবর্তনের সদিচ্ছা এখানে আছে।
[ii] সমঝোতা বা সুযোগসুবিধা সবসময় অনুমোদনহীন রূপে দেখা হয় না। তবে সকল সমঝোতা খারাপ নয়। সমঝোতা তখনই আমরা খারাপ মনে করবো যখন কোনো কিছু ব্যক্তিগত স্বার্থ সম্বলিত এবং মূল্যবোধহীন হয়।
সমালোচনা
অন্যান্য দেশের সংবিধানের মতো আমাদের দেশের সংবিধান ও সমালোচনার ঊর্ধ্বেও নয়। ভারতীয় সংবিধানের দোষত্রুটি লক্ষ করা যায়।
প্রথমত, এই সংবিধান ছিল বেমানান। এই সংবিধান অনুমানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
দ্বিতীয়ত, এই সংবিধান ছিল অপ্রতিনিধিত্বমূলক। সংবিধান প্রতিষ্ঠাকালে প্রাপ্তবয়স্কের ভোটের অধিকার ছিল না। বেশিরভাগ সদস্যরা এসেছিল সমাজের অগ্রসর শ্রেণির মধ্য থেকে। তাই আমাদের সংবিধান অপ্রতিনিধিত্ব মূলক। এখানে প্রতিনিধিত্বের দুটি উপাদানকে যেমন- ভাষা এবং মতামতকে আলাদা করবে।
তৃতীয়ত, আমাদের পরিস্থিতির সঙ্গে বেমানান বা সামঞ্জস্যহীন।
সীমাবদ্ধতা
এটা ঠিক যে, আমাদের দেশের সংবিধান একেবারে সঠিক নয়। অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে এই সংবিধানের। যে-কোনো দেশের সংবিধানই একটি বিশেষ সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হয়। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করে সংবিধানকেও পরিবর্তিত হতে হয়। আবার সংবিধানের মধ্যে অনেক বিতর্কিত বিষয়ও থাকে। অনেক বিষয় থাকে যেগুলির জন্য যত্নসহকারে সংশোধন প্রয়োজন। আবার সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক নতুন বিষয়ের দাবি ওঠে। এইসব সমস্যাগুলি কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে? বা কীভাবে এড়ানো যাবে সেগুলি আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়। সমস্যাগুলি এতটাও গম্ভীর নয় যেগুলি সংবিধানের দর্শনের ওপরে স্থান পাবে।।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন