সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ?

 How did Tripura Join as a State of Independent India? ত্রিপুরা রাজ্য কিভাবে স্বাধীন ভারতের সাথে যুক্ত হয় ? ভূমিকা ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মে ত্রিপুরার মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর ৩৯ বছর বয়সে পরলোক গমন করলে তার পুত্র কিরীট বিক্রম কিশোর দেববর্মন মানিক্য বাহাদুর ত্রিপুরা রাজ্য ও চাকলা রোশনাবাদের জমিদারি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হন। তিনি নাবালক থাকায় ভারত সরকারের পরামর্শ অনুযায়ি রাজমাতা মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবীর নেতৃত্বে রাজপ্রতিনিধি শাসন পরিষদ বা কাউন্সিল অব রিজেন্সি গঠিত হয়। মহারাণি কাঞ্চনপ্রভা দেবী এই পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং রাজকুমার ব্রজেন্দ্র কিশোর দেববর্মন বাহাদুর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। মেজর বঙ্কিম বিহারী দেববর্মন ও মন্ত্রী রাজরত্ন সত্যব্রত মুখার্জি এই পরিষদের সদস্য নিযুক্ত হন। (২) পাকিস্তানের ত্রিপুরা আক্রমনের ষড়যন্ত্র ভারত স্বাধীনতা লাভের অল্পদিনের পরেই ত্রিপুরা রাজ্য এক গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন হয়। ত্রিপুরা সীমান্তস্থিত কুমিল্লার মুসলিম ন্যাশনাল গার্ডের উদ্যোগে ও আগরতলার কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় পাকিস্তান ত্রিপুরা আক্রমনের পরিকল্পনা করে। ত্রিপুরার রা...

সাজেশন-2023 রাজা, কৃষক এবং শহর : প্রারম্ভিক রাজ্য এবং অর্থনীতি (600 খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে 600 খ্রিস্টাব্দ)

উচ্চমাধ্যমিক সাজেশন-2023
রাজা, কৃষক এবং শহর : প্রারম্ভিক রাজ্য এবং অর্থনীতি (600 খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে 600 খ্রিস্টাব্দ)

উচ্চমাধ্যমিক সাজেশন-2023 রাজা, কৃষক এবং শহর : প্রারম্ভিক রাজ্য এবং অর্থনীতি (600 খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে 600 খ্রিস্টাব্দ)

সঠিক উত্তরটি বাছাই করো।  প্রশ্নমান 1

1. দক্ষিণ ভারতে একমাত্র মহাজনপদ হল—

(a) চেদি

(b) অস্মক

(c) কুরু

(d) বৃজি

উত্তর: (b) অস্মক ।

2. আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করে—

(a) খ্রিস্টপূর্ব 327 অব্দে

(b) খ্রিস্টপূর্ব 326 অব্দে

(c) খ্রিস্টপূর্ব 325 অব্দে

(d) খ্রিস্টপূর্ব 324 অব্দে

উত্তর: (a) খ্রিস্টপূর্ব 327 অব্দে।

3. সম্রাট অশোক 'ধৰ্ম্ম' কথাটি প্রথম যে লেখতে উল্লেখ করেন—

(a) রুমিনদেই

(b) কলশি

(c) গিরনার

(d) মাস্কি

উত্তর: (d) মাস্কি।

4. এলাহাবাদ প্রশস্তি উৎকীর্ণ করেন—

(a) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত

(b) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত

(c) সমুদ্রগুপ্ত

(d) স্কন্দগুপ্ত

উত্তর: (c) সমুদ্রগুপ্ত

5. ভারতে প্রথম স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন ঘটে—

(a) মৌর্য যুগে

(b) কুষাণ যুগে

(c) গুপ্ত যুগে

(d) হর্ষোত্তর যুগে

উত্তর: (b) কুষাণ যুগে।

6. মেগালিথ হল—

(a) বৃহৎ প্রাগৈতিহাসিক প্রস্তর কাঠামো

(b) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হস্তনির্মিত যন্ত্রাদি

(c) বৃহৎ কুটির

(d) কোনোটিই নয়

উত্তর: (a) বৃহৎ প্রাগৈতিহাসিক প্রস্তর কাঠামো।

7. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সিংহাসনে বসেন—

(a) খ্রিস্টপূর্ব 323 অব্দে

(b) খ্রিস্টপূর্ব 322 অব্দে

(c) খ্রিস্টপূর্ব 321 অব্দে

(d) খ্রিস্টপূর্ব 320 অব্দে

উত্তর: (c) খ্রিস্টপূর্ব 321 অব্দে ।

৪. মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন—

(a) চন্দ্ৰগুপ্ত

(b) চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য

(c) অশোক

(d) বিন্দুসার

উত্তর: (b) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ।

9. ভারতীয় রাজাদের মধ্যে যাঁকে ‘দ্বিতীয় অশোক' বলা হয়—

(a) প্রথম কনিষ্ক

(b) দ্বিতীয় চন্দ্ৰগুপ্ত

(c) সমুদ্রগুপ্ত

(d) গৌতমীপুত্র সাতকর্ণী

উত্তর: (a) প্রথম কনিষ্ক ।

10. ‘অমিত্রাঘাত' উপাধি ধারণ করেন—

(a) বিম্বিসার

(b) বিন্দুসার

(c) অশোক

(d) বৃহদ্রথ

উত্তর: (b) বিন্দুসার

নীচের প্রশ্নগুলি একটি শাব্দ / পূর্ণাঙ্গ বাক্যে উত্তর দাও।  প্রশ্নমান 1

1. মগধ জনপদের প্রথম রাজা কে ছিলেন ?

উত্তর: মগধ জনপদের প্রথম রাজা ছিলেন বিম্বিসার।

2. সম্রাট অশোকের লেখগুলি কোন্ ভাষা ও হরফে লেখা ?

উত্তরঃ সম্রাট অশোকের লেখগুলি সাধারণত প্রাকৃত ভাষা ও ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী হরফে লেখা।

3. সম্রাট অশোকের ‘ভেরিঘোষ নীতি' কী ?

উত্তর: সিংহাসনে বসার অষ্টম বছরে সম্রাট অশোক কলিঙ্গ অভিযান করেন এবং তাঁর এই যুদ্ধবিজয় নীতিকেই বলা হয় ‘ভেরিঘোষ নীতি'।

4. মৌর্য সাম্রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা কীভাবে রক্ষিত হত ?

উত্তর: জল ও স্থল উভয়পথেই মৌর্য সাম্রাজ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা রক্ষিত হত।

5. গিল্ড কী ?

উত্তর: প্রাচীন ভারতে বাণিজ্য ও শিল্পের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বৃত্তির মানুষ যে পেশাদারি সংগঠন সৃষ্টি করে তাকেই সাধারণভাবে 'গিল্ড' বা শ্রেণি বা সমবায় সংঘ বলা হয়।

6. কবে থেকে গুপ্তাব্দ গণনা শুরু হয় ?

উত্তর: গুপ্তসম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজা হওয়ার সময় থেকে অর্থাৎ, 319-320 খ্রিস্টাব্দ থেকে গুপ্তাব্দের প্রচলন হয়।

7. নিউমিসম্যাটিক শব্দের অর্থ কী ?

উত্তর: নিউমিসম্যাটিক শব্দের অর্থ হল মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা বা গবেষণা।

৪. সম্রাট অশোকের সাম্রাজ্যের সীমানা নির্দেশকারী দুটি প্রধান পর্বতলিপির নাম করো।

উত্তরঃ সম্রাট অশোকের সাম্রাজ্যের সীমানা নির্দেশকারী দুটি প্রধান পর্বতলিপির নাম হল— গিরনার লিপি (গুজরাট) ও সোপারা লিপি (মহারাষ্ট্র)।

9. সম্রাট অশোক কবে কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন ?

উত্তর: 261 খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোক কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।

10. 'ভারতের রক্ষাকারী' বলা হয় কোন্ গুপ্ত রাজাকে ?

উত্তর: ‘ভারতের রক্ষাকারী' বলা হয় স্কন্দগুপ্তকে।

11. 'দেবনামপিয় পিয়দসি' কাকে বলা হত ?

উত্তর: ‘দেবনামপিয় পিয়দসি' মৌর্য সম্রাট অশোককে বলা হত।

12. আদিমাই কী বা কাদের বলা হত ?

উত্তর: তামিল সংগম সাহিত্য অনুসারে আদিমাই বলতে দাস বা ভৃত্যশ্রেণিকে বোঝানো হয়েছে।

13. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তকে ‘শকারি' বলা হয় কেন ?

উত্তরঃ তিনি সৌরাষ্ট্রের শকরাজ রুদ্রদমনকে পরাজিত করেছিলেন।

14. ক্ষত্রপ কাদের বলা হত ?

উত্তর: শাসনব্যবস্থার সুবিধার জন্য কৃষাণ সম্রাটরা সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলি প্রদেশে ভাগ করেছিলেন। সেইসব প্রদেশের শাসকদের বলা হত ক্ষত্রপ।

15. 'হাতিগুম্ফা লেখ' কার সময় খোদিত হয় ?

উত্তর: ‘হাতিগুম্ফা লেখা কলিঙ্গরাজ খারবেলের সময় খোদিত হয়।

16. কোন্ লিপি থেকে ভারতে আর্যদের আগমনের কথা জানা যায় ?

উত্তর: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব 1400 অব্দের এশিয়া মাইনরে প্রাপ্ত বোঘাজকোই লেখ থেকে ভারতে আর্যদের আগমনের কথা জানা যায়।

17. নকস্-ই-রুস্তম লেখ থেকে কী জানা যায় ?

উত্তর: নকস্-ই-রুস্তম লেখ থেকে উত্তর-পশ্চিম ভারতে পারসিক আক্রমণের কথা স্মরণ করা যায়।

18. মিনাদ্দার কে ছিলেন ?

উত্তর: মিনান্দার ছিলেন একজন ইন্দো-গ্রিক শাসক।

নীচের প্রতিটি প্রশ্ন 20টি শব্দের মধ্যে লেখো।  প্রশ্নমান 2

1. সম্রাট অশোকের ধর্মবিজয় নীতি কী ?

উত্তর: ধর্মবিজয় নীতি: কলিঙ্গ যুদ্ধের পর তিনি চিরতরে অস্ত্র বর্জন করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং বুদ্ধের অহিংসা ব্রত পালন করেন। মানুষের উপকারের জন্য তিনি নানা প্রজাকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়েছিলেন। যেমন—রাস্তাঘাট নির্মাণ, রাস্তার দুধারে বৃক্ষরোপণ ও সরাইখানা নির্মাণ ইত্যাদি ৷

2. কেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে ‘প্রথম ঐতিহাসিক ভারতীয় সম্রাট' বলা যায় ?

উত্তর: চন্দ্রগুপ্ত শুধু সাম্রাজ্য বিস্তার করেই ক্ষান্ত ছিলেন না, তিনি তাঁর সাম্রাজ্যে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলেন এবং ভারতের রাষ্ট্রীয় ঐক্যের পথ প্রশস্ত করেন। ড. হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী তাঁকে ভারতের প্রথম ঐতিহাসিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেছেন। ড. রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায় তাঁর সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি ছিলেন, ‘প্রথম ঐতিহাসিক ভারতীয় সম্রাট'।

3. ভারতে কুষাণ যুগের উল্লেখযোগ্য অবদান কী ?

উত্তরঃ ভারতের ইতিহাসে কুষাণ রাজাদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁরাই প্রথম ভারতে স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি প্রভূত বৃদ্ধি পায়। সেই সময় শিল্পক্ষেত্রে গান্ধারশিল্প চরম উৎকর্ষতা লাভ করে। যা ছিল ভারতীয়-গ্রিক-রোমান মিশ্র সংস্কৃতির এক অনন্য নজির। সম্রাট কনিষ্কের আমলেই ভগবান বুদ্ধের মূর্তির পূজোর প্রচলন ঘটে।

4. সম্রাট অশোকের ত্রয়োদশ শিলালিপির গুরুত্ব ?

উত্তর: অশোকের ত্রয়োদশ শিলালেখ থেকে জানা যায় কলিঙ্গ যুদ্ধের কাহিনি এবং তিনি এই যুদ্ধের পর যে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেন এবং ধর্মবিজয় নীতি গ্রহণ করেন। দ্বিতীয় ও সপ্তম স্তম্ভলেখ থেকে তাঁর প্রচারিত মানুষের বিভিন্ন গুণাবলি ও পালনীয় কর্তব্যগুলি জানা যায়। অশোকের মাস্কিলিপি থেকে জানা যায় যে, তিনি ‘ধৰ্ম্ম' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন।

5. ইন্ডিকা কী ?

উত্তর: মৌর্য যুগের ইতিহাস জানতে হলে গ্রিক ভাষায় রচিত মেগাস্থিনিসের ইন্ডিকা গ্রন্থটি এক অমূল্য সম্পদ। এই গ্রন্থটি থেকে মৌর্য যুগের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের ওপর অনেক অজানা তথ্য জানা যায় । ইন্ডিকা গ্রন্থ থেকে তৎকালীন সময়ের মৌর্য রাজাদের রাজ্যশাসন প্রণালী ও পাটলিপুত্র নগরীর সুন্দর বর্ণনা পাওয়া যায়।

6. অশোক ‘ধৰ্ম্ম' বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন ?

উত্তর: অশোকের শিলালিপিগুলি থেকে জানা যায়, 'ধৰ্ম্ম' বলতে তিনি বোঝেন গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, ব্রাক্ষ্মণ এবং সন্ন্যাসীদের প্রতি দানশীলতা, ভৃত্য ও ক্রীতদাসের প্রতি দয়া এবং ধর্ম ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।

7. মৌর্যযুগ জানতে হলে কোন্ কোন্ ঐতিহাসিক উপাদানের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয় ?

উত্তর: মৌর্যদের সম্পর্কে কিছু জানতে গেলে যে-সমস্ত উপাদানের ওপর নির্ভর করতে হয়, তা হল— অর্থশাস্ত্র, ইস্তিকা, মুদ্রারাক্ষস, এপিগ্রাফ, পুরাণ এবং বেশ কিছু বৌদ্ধ ও জৈন সাহিত্য। এ ছাড়া সম্রাট অশোকের বিভিন্ন লিপি, যেমন, পর্বত লিপি, স্তম্ভলিপি, গুহালিপি ইত্যাদি।

৪. মগধ সাম্রাজ্যের উত্থানের প্রধান কারণ কী ছিল ?

উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের মধ্যভাগে ভারতে মগধ রাজ্যের উত্থানের বা সাফল্যের পিছনে যে কারণগুলি বলিষ্ঠরূপে দেখা যায়, তা হল—

[i] ভৌগোলিক অবস্থান,

[ii] গাঙ্গেয় নদীবিধৌত উর্বর মৃত্তিকা, যা অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটায়,

[iii] উন্নত ব্যাবসাবাণিজ্যের ক্ষেত্রে স্থলপথ ও নৌপথের (গঙ্গা, শোন ও গণ্ডক) উল্লেখযোগ্য ভূমিকা কাজ করেছিল।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আগামী' কবিতাটি 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

আগামী Class 12 Bengali Question 2023 সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)  প্রশ্নমান ১ class 12 bengali mcq question answer ১. “ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই”-বক্তা কে ? (ক) বৃক্ষ শিশু (খ) বনস্পতি (গ) বটবৃক্ষ (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ উত্তর: (ঘ) সদ্য অঙ্কুরিত বীজ। ২. অঙ্কুরিত বীজের ক্ষুদ্র শরীরে বাজে— (ক) ঝড় (খ) বৃষ্টি (গ) ভূমিকম্প (ঘ) তুফান উত্তর: (ক) ঝড়। ৩. অঙ্কুরিত বীজের শাখায় প্রত্যাহত হবে— (ক) পত্রমর্মর (খ) মর্মরধ্বনি (গ) পাখির কূজন (ঘ) বিচিত্রধ্বনি উত্তর: (খ) মর্মরধ্বনি । ৪. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু অরণ্যের বিশাল চেতনা অনুভব করে— (ক) পত্রে (খ) পুষ্পে (গ) শিকড়ে (ঘ) শাখায় উত্তর: (গ) শিকড়ে। ৫. “জানি তারা মুখরিত হবে”—কীভাবে ? (ক) নব শতকের গানে (খ) নতুন দিনের গানে (গ) নব তারণ্যের গানে (ঘ) নব জীবনের গানে উত্তর: (গ) নব অরণ্যের গানে। ৬. অঙ্কুরিত বৃক্ষশিশু নব অরণ্যের গানে মিশে যাবে— (ক) বসন্তে (খ) বর্ষায় (গ) গ্রীষ্মে (ঘ) শীতে উত্তর: (ক) বসন্তে। ৭. অঙ্কুরিত বীজ কোথায় মিশে যাবে ? (ক) অরণ্যের দলে (খ) বৃহতের দলে (গ) ক্ষুদ্রের দলে (ঘ) মহীরুহ-র দলে উত্তর: (খ) বৃহতের দলে। ৮. অঙ্কুরিত বীজ নিজেকে বলেছে— (ক) ভ...

বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the modernization of Tripura from Birchandra Manikya to Bir Bikram Kishor Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্য থেকে বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য পর্যন্ত ত্রিপুরার আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।  ত্রিপুরায় আধুনিক যুগের সূচনা হয় মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্যের শাসনকালে। তিনি ব্রিটিশ ভারতের শাসন পদ্ধতির অনুকরণে ত্রিপুরার শাসন ব্যবস্থার সংস্কার করেণ এবং লিখিত আইন কানুন প্রনয়নের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে সুসংবদ্ধ ও সুসংগঠিত করেণ। মোটের উপর বীরচন্দ্রমানিক্য (১৮৬২-১৮৯৬ খ্রি:) তাঁর আমলে ত্রিপুরা রাজ্য এক নতুন রূপ লাভ করে। ১) মিউনিসিপ্যালিটি গঠন তিনি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি গঠন করেন। তবে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা বিধানে কিংবা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসাবে দীর্ঘকাল কোনো কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণে আগরতলা মিউনিসিপ্যালিটি ছিল ব্যর্থ। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুলাই ডবলিউ. বি. পাওয়ার সাহেব ত্রিপুরা রাজ্যের প্রথম পলিটিক্যাল এজেন্ট নিযুক্ত হন।  ২) বিচার সংক্রান্ত সংস্কার প্রাচীনকাল হতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি সংক্রান্ত বিচারের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি মহারাজ স্বয়ং সম্পাদন করতেন। ১৮৭২ খ্রিস্টা...

বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর।

 Discuss the social and economic condition of Tripura before the accession of Birchandra Manikya. বীরচন্দ্র মানিক্যের পূর্ববর্তী সময়ে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর। ভূমিকা ত্রিপুরার মাণিক্য উপাধিকারী রাজন্যবর্গের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন আত্মমর্যাদাজ্ঞানহীন, ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রী। এসব ক্ষমতালোভী ও ষড়যন্ত্রীরা মুঘল ফৌজদারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অধিক সংখ্যক হাতি, নিয়মিত উচ্চ হারে খাজনা, নজরানা ইত্যাদি দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজত্বের সনদ লাভ করতেন। এটা ত্রিপুরার দুর্বল অর্থনীতির উপর এক বিরাট আঘাত ও স্থায়ী ক্ষতস্বরূপ ছিল। তবে এ সময়ের শুভদিক হল ত্রিপুরায় ব্রিটিশ ভারতের অনুকরণে আইন প্রণয়নের সূত্রপাত, প্রশাসনিক বিধিব্যবস্থার প্রবর্তন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের উন্মেষ ও সামাজিক সংস্কার। Economic Condition ১) চাষাবাদ ও কৃষি ত্রিপুরার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা হল কৃষি। কৃষিজ উৎপাদনের মধ্যে ধান, গম, আলু, আখ, সরিষা, ডাল জাতীয় শস্য, কার্পাস, তুলো, কচু, আদা, তরমুজ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শিকার ও পশুপালন করেও তারা জীবিকা নির্বাহ করত। এখানকার চাষযোগ্য সমতল জমির সাথে ...